হোম খুলনাযশোর মনিরামপুরে সড়কের সংযোগ ছাড়া রাস্তা নির্মাণ করা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ

মনিরামপুরে সড়কের সংযোগ ছাড়া রাস্তা নির্মাণ করা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ

কর্তৃক Editor
০ মন্তব্য 208 ভিউজ
মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :
যশোরের মনিরামপুরের দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়নের কাজিয়াড়া গ্রামে একটি ইটের সলিং রাস্তা মেইন সড়কের সংযোগ ছাড়া নির্মাণ করা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা ঘটনার প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছে। তাদের দাবী, সলিং রাস্তাটি মেইন সড়ক বা চলাচল উপযোগী রাস্তার সঙ্গে সংযুক্ত না থাকায় সেটি এখন কার্যত জনসাধারণের কোনো উপকারেই আসছে না বলে অভিযোগ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মনিরামপুর মোহনপুর-কালিবাড়ি সড়কের কাজিয়াড়া এলাকার হাসান মাস্টারের বাড়ির পশ্চিম পাশ থেকে দক্ষিণ দিকে এ সলিং রাস্তা নির্মাণ করা হয়। কিন্তু রাস্তার দুই প্রান্তের কোনো অংশই চলাচলের উপযোগী মেইন সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত না। যে কারনে গ্রামবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোপ ও অসন্তোষ  বিরাজ করছে। এলাকার মানুষ বছরের পর বছর ধরে কাঁচা রাস্তা, জলাবদ্ধতা ও দুর্ভোগের মধ্যে জীবনযাপন করছেন। বর্ষা মৌসুমে শিশুদের স্কুলে যাওয়া, রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া এবং কৃষিপণ্য পরিবহনে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। এমন বাস্তবতায় একটি কার্যকর রাস্তার প্রত্যাশা থাকলেও মেইন সড়ক সংযোগহীন এ সলিং রাস্তা তাদের কোন কাজে আসছে না। যার কারনে এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে তাদের অভিযোগ, মেইন সড়ক সংযোগ ছাড়াই এডিপির টাকায় ১১০ ফুট সলিং রাস্তা অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে করা হয়েছে। ফলে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা বিল্লাল হোসেন ও ইসাক আলী বলেন, আমরা ভেবেছিলাম রাস্তটি মেইন সড়ক থেকে হবে। তাতে গ্রামের মানুষের উপকার হবে। কিন্তু সেটি কাদের স্বার্থে মাঝ খান হতে করা হলো তা বুঝতে পারছি না। প্রামবাসীর দাবি, দ্রুত সরেজমিন রাস্তটি তদন্ত করে জনগণের উপকারে আসে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এ ব্যাপারে রাস্তা নির্মাণ কাজের নিয়োজিত শ্রমিক কালাম হোসেন বলেন, এসব সমস্যার ব্যাপারে মুক্তার ভালো বলতে পারবেন, আমার কাজ করার কথা তাই করিছি। স্থানীয় চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থাকা সমাজ সেবা কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন ও ইউপি সদস্য রেজাউল গাজী এ ব্যাপারে কিছু জানেন না বলে দাবী করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সম্রাট  হোসেন বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন