হোম অন্যান্যসারাদেশ আশাশুনি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের প্রতিবেদন দাখিল

আশাশুনি প্রতিনিধি :

আশাশুনি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ সাইদুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তদন্ত শেষে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। তদন্ত প্রতিবেদন পেয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (বেসরকারি কলেজ শাখা) এর সহকারী পরিচালক অভিযুক্ত অধ্যক্ষকে ৩ কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা চেয়েছেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ আবদুল কাদের ৭ জুন ৩৭.০২.০০০০.১০৫.২৭.০২০.১৯.৩৬৮ নং স্মারকে তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণ প্রসঙ্গে এক পত্রে বলেছেন, গোপাল চন্দ্র হালদারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন ঢাকা অভিযোগের তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালককে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করেন।

তদন্ত শেষে মতামত ব্যক্ত করেন যে, ১। যিনি বিধি মোতাবেক ১ম নিয়োগ প্রাপ্ত থাকবেন তিনিই এমপিওভুক্ত হবেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কলেজে ইতিহাস ও ইসলামের ইতিহাস বিষয়সহ কয়েকটি বিষয়ে প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষকদের বাদ দিয়ে পরবর্তীতে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ বেআইনী। ২। কলেজ পরিচালনা পর্ষদের ০৯/০৭/২০০৪ খ্রি. তারিখের সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ইতিহাস বিষয়ের প্রভাষক গোপাল চন্দ্র হালদার ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ের প্রভাষক শম্ভু চরণ মন্ডলকে বিধি বহির্ভূতভাবে চাকরী হতে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।

৩। কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ মোঃ সাইদুল ইসলামের দু’টি ৩য় বিভাগ স্বত্তে¡ও অধ্যক্ষ হিসাবে নিয়োগ প্রদান এবং এমপিওভুক্ত করা হয়েছে যা বিধি সম্মত নয়। এছাড়া অধ্যক্ষ হিসাবে নিয়োগে কোন বিধি বিধান অনুসরণ করা হয়নি। ৪। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক কলেজে পাঠদানের স্বার্থে জনাব এসএম সাইদুল ইসলামকে গণিত বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে চাকরীর মেয়াদ বৃদ্ধির অনুমোদন দেয়া হয়েছে (যদিও ডিগ্রি স্তরে সংশ্লিষ্ট বিভাগ/বিষয় নেই, কোন শিক্ষার্থীও নেই) অধ্যক্ষ হিসেবে নয়।

তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিক ভাবে সত্য বলে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে মনে হয়েছে। এমতাবস্থায় কলেজ অধ্যক্ষ মোঃ সাইদুল ইসলামকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দান এবং সভাপতি, গভর্ণিং বডিকে মতামত প্রদান করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন