হোম জাতীয় সার্ভার ডাউন-লোডশেডিং, রেলের টিকিট পেতে তিন দিন ধরে লাইনে!

জাতীয় ডেস্ক :

মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা। অনলাইনে বিপর্যয়ের মধ্যেই কমলাপুর রেলস্টেশনে বারবার বিদ্যুৎ বিভ্রাট। ৩০ তারিখের টিকিট প্রত্যাশীদের ভোগান্তি চরমে। টিকিট মিলছে কচ্ছপ গতিতে। অনেকেই ফিরেছেন খালি হাতে। এ অবস্থায় রেল কর্তৃপক্ষ বলছে, চাহিদা অনুযায়ী সবাইকে ঈদে বাড়ি যাওয়ার টিকিট দেয়া সম্ভব নয়।

গত দু’দিনের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ যাত্রী মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকেই কমলাপুর রেলস্টেশনের কাউন্টারের সামনে দাঁড়ান। যারা লাইনের প্রথম দিকে, তারা গত দুই-তিনদিন টিকিট না পেয়ে একটানা এখানেই আছেন। ক্লান্ত শরীর নিয়ে কাউন্টারের সামনেই থাকা-খাওয়া করছেন!

সকাল ৮টায় টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার পরপরই দু’বার বিভ্রাটে পড়ে টিকিট বিক্রি কার্যক্রম। একেতো ধীর গতির সার্ভার তার ওপর লোডশেডিংয়ে একেবারেই বন্ধ হয়ে যায় টিকিট বিক্রি। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েন টিকিট প্রত্যাশীরা।

তবে এত ভোগান্তি পেরিয়ে টিকিট নামক সোনার হরিণ যারা পেয়েছেন তাদের ঈদের খুশি শুরু হয় এখনই।

গত দু’দিনের মতো মঙ্গলবারও অনলাইন বিপর্যয়ে নাজেহাল টিকিটপ্রত্যাশীরা। সার্ভার জটিলতায় বিপর্যস্ত হাজার হাজার মানুষ ঢাকার যানজট পেরিয়ে ছুটে আসেন কাউন্টারে। কিন্তু এখানেও টিকিট না পেয়ে খালি হাতে ফিরে গেছেন অনেকেই।

কাউন্টার থেকে এক ব্যক্তি চারজনের টিকিট কাটতে পারছেন। তবে তার জন্য প্রত্যেক যাত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি দিতে হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে আগে বিভিন্ন সময় টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এজন্য এবার কালোবাজারি বন্ধে টিকিট কেনার সময় যাত্রীদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদের ফটোকপি কাউন্টারে দেখাতে হচ্ছে।

এবার ঢাকার কমলাপুর স্টেশনসহ পাঁচটি স্থানে অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। তবে ঈদযাত্রার প্রতিটি ট্রেনে নারী ও প্রতিবন্ধী যাত্রীদের জন্য একটি করে আলাদা কোচ সংযোজন করা হচ্ছে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে ছয়টি বিশেষ ট্রেন চলবে। এগুলো হচ্ছে: চাঁদপুর স্পেশাল দুই জোড়া, দেওয়ানগঞ্জ স্পেশাল এক জোড়া, শোলাকিয়া স্পেশাল দুই জোড়া, খুলনা স্পেশাল এক জোড়া। এসব ট্রেনের টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হবে না।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন