জসিম উদ্দিন,
নোনা জলে আন্তর্জাতিক মানের কৃষির উৎপাদন বাড়াতে ভুমিকা রাখবে পার্টনার ফিল্ড স্কুল । এ লক্ষে দেশের উপকুলীয় এলাকার কৃষকদের বিশেষ প্রশিক্ষনের উগ্যোগ নিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। মোংলা উপজেলায় ৬টি ইউনিয়নে এ ফিল্ড স্কুলের মাধ্যমে কৃষক—কৃষানীদের প্রশিক্ষন শেষে আজ(২৯ জুন) কর্মশালা ও ফল মেলার আয়োজন করে কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তর। মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমী”র সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক(শস্য) রশেশ চন্দ্র ঘোষ ও কুষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক(পিপি) অর্পর্ব লাল সরকার। এসময় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ কৃষি প্রধানদেশ । তাই কৃষির বিপ্লব ঘটাতে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহন করেছেন। তারই একটি অংশ পাটনার ফিল্ড স্কুল। এ স্কুলে যেসব কৃষকদের প্রশিক্ষন দেওয়া হবে তাদের সাটিফিকেট দেওয়ার পাশাপাশি সরকার নানা সহায়তা করবে কৃষি কাজ সম্প্রসারণের জন্য। এর ফলে বাংলাদেশে কৃষির বিপ্লব ঘটবে। আন্তজাতিক মানের ফল উৎপাদন ও সংরক্ষন করা গেলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকে বিশে^র অন্য দেশে বাংলাদেশের কৃষি পণ্য রপ্তানি করা সম্ভব হবে।
মোংলা উপজেলার অডিটোরিয়ামে অনুষ্টিত হয় এ কর্মশালা ও ফলমেলায় বক্তারা আরো বলেন, ফল চাষ ও বারো মাস ফল সংরক্ষন এবং আন্তর্জাতিক মানের কৃষি উৎপাদন করতে পাটনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেসয়ের মাধ্যমে ১০ লক্ষ কৃষককে পর্যায়ক্রমে শ্রশিক্ষনের আওতায় আনা হবে বলে। কর্মশালার পাশে ফল মেলায় স্থান পেয়েছে দেশীয় নানা জাতের ফল। যা দেখে মুগ্ধ হন অথিতিরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, মোংলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ প্রশান্ত হালদার, মৎস্য কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম,মোংলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল মান্নান হালদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান মানিকসহ স্থানীয় সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কৃষক—কৃষাণীগন।
কর্মশালা শেষে কুষকদের মাঝে বিতরণ করা হয় উন্নোত জাতের ফল গাছের চারা, জৈব সার, ধানের বীজ ও চারা পরিচর্যার জন্য নেট ও বাঁশ।
নোনা জলে আন্তর্জাতিক মানের কৃষির উৎপাদন বাড়াতে ভুমিকা রাখবে পার্টনার ফিল্ড স্কুল । এ লক্ষে দেশের উপকুলীয় এলাকার কৃষকদের বিশেষ প্রশিক্ষনের উগ্যোগ নিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। মোংলা উপজেলায় ৬টি ইউনিয়নে এ ফিল্ড স্কুলের মাধ্যমে কৃষক—কৃষানীদের প্রশিক্ষন শেষে আজ(২৯ জুন) কর্মশালা ও ফল মেলার আয়োজন করে কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তর। মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমী”র সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক(শস্য) রশেশ চন্দ্র ঘোষ ও কুষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক(পিপি) অর্পর্ব লাল সরকার। এসময় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ কৃষি প্রধানদেশ । তাই কৃষির বিপ্লব ঘটাতে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহন করেছেন। তারই একটি অংশ পাটনার ফিল্ড স্কুল। এ স্কুলে যেসব কৃষকদের প্রশিক্ষন দেওয়া হবে তাদের সাটিফিকেট দেওয়ার পাশাপাশি সরকার নানা সহায়তা করবে কৃষি কাজ সম্প্রসারণের জন্য। এর ফলে বাংলাদেশে কৃষির বিপ্লব ঘটবে। আন্তজাতিক মানের ফল উৎপাদন ও সংরক্ষন করা গেলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকে বিশে^র অন্য দেশে বাংলাদেশের কৃষি পণ্য রপ্তানি করা সম্ভব হবে।
মোংলা উপজেলার অডিটোরিয়ামে অনুষ্টিত হয় এ কর্মশালা ও ফলমেলায় বক্তারা আরো বলেন, ফল চাষ ও বারো মাস ফল সংরক্ষন এবং আন্তর্জাতিক মানের কৃষি উৎপাদন করতে পাটনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেসয়ের মাধ্যমে ১০ লক্ষ কৃষককে পর্যায়ক্রমে শ্রশিক্ষনের আওতায় আনা হবে বলে। কর্মশালার পাশে ফল মেলায় স্থান পেয়েছে দেশীয় নানা জাতের ফল। যা দেখে মুগ্ধ হন অথিতিরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, মোংলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ প্রশান্ত হালদার, মৎস্য কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম,মোংলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল মান্নান হালদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান মানিকসহ স্থানীয় সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কৃষক—কৃষাণীগন।
কর্মশালা শেষে কুষকদের মাঝে বিতরণ করা হয় উন্নোত জাতের ফল গাছের চারা, জৈব সার, ধানের বীজ ও চারা পরিচর্যার জন্য নেট ও বাঁশ।
