হোম খুলনাসাতক্ষীরা সাতক্ষীরায় সাংবাদিক জিন্নাহ’র উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালত

সাতক্ষীরায় সাংবাদিক জিন্নাহ’র উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালত

কর্তৃক Editor
০ মন্তব্য 80 ভিউজ

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরা সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে আমমোক্তারনামা দলিল সৃষ্টিতে বাধা দিয়ে সাংবাদিক এস এম জুলফিকার আলি জিন্নাহ’র উপর হামলা, মারপিট ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামি শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত| বুধবার এ মামলার ছয়জন আসামির মধ্যে ৪নং আসামি ব্যতীত পাঁচজন আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন জানালে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিলাস মন্ডল জামিন নামঞ্জুর করে আব্দুল্লাহ আল মামুনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন এবং বাকী চারজনের জামিন মঞ্জুর করেন|
বাদীপক্ষে মামলার শুনানিতে অংশ নেন, অ্যাড. বিএম মিজানুর রহমান পিন্টু| এছাড়া আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাড. তোজাম্মেল হোসেন তোজামসহ অন্যান্যরা|
মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ৩০ মার্চ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খুলনা সোনাডাঙা থানার পশ্চিম বানিয়াখামার এলাকার মোকসুদার রশিদের লক্ষীদাঁড়ি মৌজার ১৮ শতক জমি আমমোক্তারনামা দলিল করে নেওয়ার জন্য এনটিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি এসএম জুলফিকার আলি জিন্নাহ সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসারের এজলাসে আসেন| ওই জমির আমমোক্তারনামা দলিল করে নেওয়ার জন্য মাকসুদার রশিদকে ইতোপূর্বে কয়েক দফায় ৫০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে| বাকী পাঁচ লাখ টাকা রেজিস্ট্রি সম্পাদনের সময় দেওয়ার কথা ছিল| রেজিস্ট্রারের এজলাসে আমমোক্তারনামা রেজিস্ট্রির সময় আসামিরা চাঁদা বাবদ ৫০ লাখ টাকা চাইলে আসামিদের সাথে জুলফিকার আলি জিন্নাহ’র কথাকাটাকাটি হয়| একপর্যায়ে রেজিস্ট্রারের এজলাস থেকে আসামিরা জিন্নাহকে ঘাড় ধরে মারতে মারতে বাইরে আনে| এ সময় তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কিল-ঘুষি মেরে রক্তাক্ত জখম করা হয়| পরে তাকে অ্যাড. আজাদ হোসেন বেলালের বাড়ির সামনে নিয়ে যাওয়া হয়|
পরে আবার এজলাসের মধ্যে এনে আটকে রেখে ৫০ লাখ টাকা দাবি করা হয়| তাকে ক্ষয়ক্ষতি করার জন্য ভয় দেখানো হয়| পরে আবারো তাকে মারপিট করা হয়| এ সময় আসামি শেখ মাহাবুব উল্লাহ তার ডান পকেটে থাকা দুই লাখ টাকা ও আসামি টুটুল তার বাম পকেটে থাকা তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়| পরে ¯^জনরা জিন্নাহকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করায়|
এ ঘটনায় এনটিভি’র সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ও ভুক্তভোগী এসএম জুলফিকার আলি জিন্নাহ বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ১২ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন|
মামলার আসামিরা হলেন, শহরের কাটিয়া লস্করপাড়ার সৈয়দ শাখাওয়াত আলীর ছেলে সৈয়দ রেজাউল হোসেন টুটুল, তার ছেলে মোঃ শিহাব, শহরের মুনজিতপুরের ইশারত আলী পান্নার ছেলে শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন, কাটিয়ার শেখ মোশাররফ হোসেনের ছেলে শেখ মাহাবুব উল্লাহ, সদর উপজেলার ঘোনা গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে তরিকুল ইসলাম ও শহরের পলাশপোলের সাইফুল ইসলাম|

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন