হোম অন্যান্যসারাদেশ ফকিরহাটে বিবাহের ৭মাস পর গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু

ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি :

বাগেরহাটের ফকিরহাটে বিবাহের ৭মাস পর মাধবী লতা দেবনাথ (১৯) নামের এক গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি উপজেলার পাগলা-দেয়াপাড়া (নাথপাড়া) এলাকায় ঘটেছে। এ ব্যাপারে মৃতের ভাই মদন দেবনাথ বাদী হয়ে মডেল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পিলজংগ ইউনিয়নের শ্যামবাগাত গ্রামের হেমন্ত কুমার দেবনাথের কন্যা মাধবী লতা দেবনাথের সাথে পাগলা-দেয়াপাড়া গ্রামের অনিল দেবনাথের ছেলে অনুপম দেবনাথ ওরফে অমিতাভ এর বিবাহ হয়।

মাধবী লতা দেবনাথ স্বামীর বাড়ীতে থাকাকালীন গত ১৪ মার্চ বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার স্বামী অমিতাভ দেবনাথ ওই গৃহবধুর ভাই মদন দেবনাথকে মোবাইল ফোন করেন বলেন তার বোন মাধবী লতার মূখ বাকাইয়া গেছে ও দাঁত আটকায়া গেছে। যে কারেন তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে তার ভাইকে আসার জন্য বলা হয়।

এর কিছুক্ষণ পর পুনরায় মোবাইল করে তার ভাইকে খুলনা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে যাওয়ার কথা বলা হয়। তার বোনের অবস্থা ভাল না তাই তাকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানায়। মাধবী লতার ভাই সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সেখানে উপস্থিত হয়ে দেখেন সে মাইক্রোবাসের ভেতর মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। তার নাক মূখ দিয়ে বুধ বুধ করে গ্যাজা বের হচ্ছে।

মাধবী লতার স্বামীর পরিবারের দাবী সে কীটনাশক পানে আত্মহত্যা করেছে। স্থানীয়রা জানায়, পারিবারিক কলহের জেরে সে আত্মহত্যা করতে পারে। তবে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তার শরীরের বিশাক্ত দ্রব্যের আলামত পাওয়া গেছে। সে বিশাক্ত কিছু খাওয়ার জন্য মারা যেতে পারে বলে অনেকেই প্রাথমিকভাবে ধারনা করছেন।

আসলে সে আত্মহত্যা করেছে নাকি তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে এ নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জনের সৃষ্টি হচ্ছে। এদিকে মডেল থানা পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের নিকট মৃতদেহ হস্তান্তর করেন।

এ ব্যাপারে অফিসার ইনচার্জ আবু সাঈদ মো. খাইরুল আনাম করেন, মৃতদেহের ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ময়না তদন্তের রির্পোট আসলে মৃত্যুর আসল রহস্য উদঘাটন হবে বলে জানান। এব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মডেল থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন