বাণিজ্য ডেস্ক :
পটুয়াখালীতে প্রথমবারের মতো বারোমাসি তিন জাতের তরমুজ চাষ করে সফলতা পেয়েছেন তিন বন্ধু। বর্ষা মৌসুমে মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করা তরমুজের বাম্পার ফলনে খুশি তারা। কৃষি বিভাগ বলছে, এ জাতের তরমুজ চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন অনেকে এবং তাদের সহায়তাও করা হচ্ছে।
মাচায় ঝুলছে ছোট-বড় অসংখ্য তরমুজ।
পটুয়াখালী সদর উপজেলার জৈনকাঠী গ্রামের তিন বন্ধু নাইম, আল-আমিন, সবুজ। গত এপ্রিলে ইউটিউব দেখে তরমুজ চাষে আগ্রহী হন। পরে উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় মাত্র ২৫ শতাংশ জমিতে ৭০ হাজার টাকা খরচ করে অফসিজন বাংলালিংক, পাকিজা এবং ফনিক্স জাতের তরমুজ চাষ শুরু করেন। মাত্র ২ মাস ১৫ দিনের মাথায় তরমুজ বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি শুরু করেন তারা। এক একটি তরমুজের ওজন হয়েছে ৪ থেকে ৮ কেজি পর্যন্ত। যা প্রতিকেজি ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এসব তরমুজ খেত থেকেই ট্রাকে করে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে। প্রথমবারের মতো বৈরী আবহাওয়ার এ তরমুজ চাষ করে সফলতা পেয়েছেন তারা।
তিন বন্ধু নাইম, আল-আমিন, সবুজ জানান, ইউটিউবে বর্ষাকালীন তরমুজ দেখে আমরা এটি চাষের সিদ্ধান্ত নেই। ৬ মাসের মধ্যে আমাদের ভালোই ফলন হয়েছে। চারা, বীজ, জাল ও লেবার খরচসহ যা ব্যয় হয়েছে আশা করি তার দ্বিগুণ লাভ হবে।
তাদের সাফল্যে অনেকেই এ বারোমাসি তরমুজ চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এমনই একজন বলেন, আগামীতে আমার জমিতেও এ তরমুজ চাষের ইচ্ছা রয়েছে।
এদিকে তাদেরকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে সব ধরনের সহায়তা করা হচ্ছে বলে জানান পটুয়াখালীর উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার।
উল্লেখ্য, বারোমাসি এই তরমুজ চাষে প্রায় ৩ লাখ টাকা লাভ হবে বলে জানান উদ্যোক্তারা।
