হোম জাতীয় সিনহা হত্যা মামলা: সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী তারিখে ২৯ নভেম্বর

জাতীয় ডেস্ক :

সেনাবাহিনীর মেজর অবসরপ্রাপ্ত সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৯, ৩০ নভেম্বর ও ১ ডিসেম্বর সময় ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (১৭ নভেম্বর) মামলার ৬৫তম সাক্ষী র‌্যার-১৫-এর তদন্তকারী কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার খাইরুল ইসলামের জেরা চলাকালীন জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল এ আদেশ দেন।

তবে তদন্তকারী কর্মকর্তার জেরা এখনো শেষ হয়নি। পরবর্তী তারিখে আসামি পক্ষের অন্যান্য আইনজীবীরা জেরা করবেন। এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফরিদুল আলম।

তিনি জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে র‌্যাব-১৫-এর তদন্তকারী কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার খাইরুল ইসলামকে জেরা শুরু করেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা। দুপুর ২টায় এক ঘণ্টার জন্য আদালত বিরতি দেন। সন্ধ্যা ৫টা পর্যন্ত কার্যক্রমে ১৩ জন আসামির আইনজীবী জেরা সমাপ্ত করেছেন। কিন্তু ২ জনের এখনো জেরা শেষ হয়নি।

তিনি জানান, অসমাপ্ত জেরা শেষ হওয়ার পর আদেশের জন্য আদালতে অন্যান্য কার্যক্রম শুরু হবে।

আসামি পক্ষের আইনজীবী রানা দাশদপ্ত জানান, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্য প্রদান এবং জেরা শেষে আর কোনো সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের প্রয়োজন হয় না। এরপর আসামিদের স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ আদেশের জন্য আদালতের অন্যান্য কার্যক্রম শুরু হবে।

গত ২৩ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া সাক্ষ্য প্রদান সপ্তম দফা পর্যন্ত মোট ৬৫ সাক্ষ্য প্রদান করলেন। বুধবার সকাল সাড়ে ৯ টায় কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে মামলার ১৫ আসামিকে প্রিজেনভ্যান করে কড়া পুলিশ পাহারায় আদালতে আনা হয়।

গত বছর ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর মেজর অবসরপ্রাপ্ত সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

এ ঘটনায় গত বছর ৫ আগস্ট সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে টেকনাফ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় লিয়াকত আলীকে। আদালত মামলার তদন্তভার দেয়া হয় র‍্যাবকে।

গত বছর ১৩ ডিসেম্বর র‍্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ানের তৎকালীন দায়িত্বরত সহকারি পুলিশ সুপার খাইরুল ইসলাম ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

গত ২৭ জুন আদালত ১৫ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এতে সাক্ষী করা হয় ৮৩ জনকে।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন