বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি :
করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে বেনাপোলে কঠোর লকডাউনের মধ্যে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রুপ নিয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৩৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৭ জনের করোনায় সনাক্ত হয়েছে। শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ ইউসুফ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শার্শা উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটি গত বৃহস্পতিবার থেকে বেনাপোল ও শার্শাকে লকডাউন ঘোষনা করে। যা আগামী এক সপ্তাহ পর্যন্ত বলবদ থাকবে বলে জানান পুলিশের নাভারন সার্কেল এএসপি জুয়েল ইমরান ।
তিনি বলেন, সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত শুধুমাত্র নিত্য প্রয়োজনীয় দোকানপাট খোলা থাকবে। ৩ টার পর থেকে কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে না। শুধুমাত্র ওষুধের দোকান ও ভারত ফেরত যাত্রীদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের আবাসিক হোটেল এবং খাবার হোটেল সার্বক্ষণিক খোলা থাকবে।
তবে শহর থেকে গ্রামেও করোনা ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই করোনা পরীক্ষা করাচ্ছেন না । ফলে স্বাস্ত্য বিভাগের কাছে করোনা বৃদ্ধি পাওয়ার সঠিক তত্য আসছে না।
শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইউসুফ আলি জানান, সীমান্তবর্তী বেনাপোল সহ বিভিণ্ন অঞ্চলে করোনার প্রকোপ বেড়ে ়গেছে। করোনা সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্য বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর-লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে।
গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৩৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৭ জনের করোনায় সনাক্ত হয়েছে। বেনাপোল ও শার্শায় এ পর্যন্ত ৬৫০ জন করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আহসান হাবিব জানান, ভারত ফেরত প্রত্যেক যাত্রীদের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে রাখা হচেছ তাদের নিজ খরচে। ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট যাতে ছড়াতে না পারে সেজন্য তাদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হচ্ছে।
আজ রবিবার ভারতে থেকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ৪০ জন দেশে ফিরেছে। তাদেরকে বেনাপোলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারাইনটিনে রাখঅ হয়েছে। গত ২৬ এপ্রিল থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত ভারত থেকে ৫ হাজার ৪৩৯ জন পাসপোর্টধারি যাত্রী বাংলাদেশে ফিরেছেন।
