হোম অন্যান্যসারাদেশ পুলিশের লাঠি পেটার খবরে সাতক্ষীরা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থীর ভোটে ধ্বস !

নিজস্ব প্রতিনিধি :

পুলিশের লাঠি পেটার পর মুহুর্তের মধ্যে সাতক্ষীরা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থীর ভোটে ধ্বস নামতে শুরু করে। পাল্টে যায় নির্বাচনী দৃশ্যপট। মনোবল হারিয়ে ফেলে আওয়ামীলীগের কর্মী সমর্থকরা। এ ঘটনার জন্য অতি উৎসাহী কতিপয় পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়ী করেছেন আওয়ামীলীগের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।

সরেজমিনে ভোট কেন্দ্র ঘুরে জানা যায়, দিনের প্রথম প্রহরে সাতক্ষীরা শহরের রসুলপূর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে প্রতিপক্ষ গ্রুপের হামলায় আহত হন আওয়ামীলীগ নেতা হাবিবুর রহমান হবি। খবর পেয়ে জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা রসুলপূর কেন্দ্রে পৌছান। কিন্তু আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীরা পাল্টা জবাব দিতে না পারায় সাধারন কর্মী সমার্থকদের মনবল ভেঙে যায়। এর পরপরই খবর আসে কাটিয়া নবনূর প্রথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পুলিশের লাঠি পেটায় পাঁচ আওয়ামীলীগ নেতা কর্মী আহত হয়।

ওই কেন্দ্রে আওয়ামীলীগ প্রার্থীর এজেন্ট কে একদলীয় কর্মী নাস্তা দিতে গেলে বাধা দেয় পুলিশ পরিদর্শক মাহাফুজুর রহমান। শুরু হয় বাকবিতন্ডা। এক পর্যায়ে ঐ পুলিশ কর্মকর্তা নৌকা নদীতে ভাসিয়ে দেয়ার হুমকি দিলে ঘটে যায় বিপত্তি। এর পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন সাতক্ষীরা সদও সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মির্জা সালাহউদ্দীন। তার হুকুমে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে পাচ আওয়ামীলীগ কর্মী আহত হন।

কয়েক মিনিটের মধ্যে এ খবর পৌরসভার ৩৭ টি ভোট কেন্দ্রে ছড়িয়ে পড়ে। ভোট কেন্দ্রেগুলোতে দায়িত্বরত নেতা কর্মীদের মাঝে হতাসা নেমে আসে। অনেক কর্মী কেন্দ্র ত্যাগ করে বাড়ি চলে যায়। আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের অভিযোগ, প্রতিকুল পরিবেশের কারনে সাতক্ষীরা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থীর পরাজয় হয়েছে। পুলিশ পরিদর্শক মাহাফুজুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অসিকার করে বলেছেন, কিছু লোক ভোট কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করেছিল। তাদের কে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়েছে। একই কথা বলেছেন, সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফজর হোসেন।

s

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন