জাতীয় ডেস্ক :
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে ড্যাগার-চাকুসহ আরও ৪ ছিনতাইকারীকে আটক করেছে র্যাব। মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে তাদের আটক করে র্যাব-১৫-এর সদস্যরা।
এ নিয়ে গত ১৫ দিনে কক্সবাজার শহরে র্যাব ও পুলিশের অভিযানে ৬৩ জন ছিনতাইকারীকে আটক করা হলো।
বুধবার (১৬ মার্চ) র্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (আইন ও গণমাধ্যম) মো. বিল্লাল উদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন।
আটকরা হলেন- রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের তুলাবাগান এলাকার গোলাম নবীর ছেলে দ্বীন মোহাম্মদ (২১), উখিয়া উপজেলার বালুখালী এলাকার লাল মোহাম্মদের ছেলে সোহেল (২৩), উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের নুর আলমের ছেলে ওবাইদুল হক (২১), একই এলাকার সৈয়দ আলমের ছেলে সাইফুল (২০)।
র্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক বিল্লাল জানান, মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে সৈকতের ঝাউবাগানের আড়ালে অবস্থানকালে চারজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের দেহ তল্লাশি করে ২টি ড্যাগার ও ১টি চাকু উদ্ধার করা হয়।
আটকদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা সকলেই পেশাদার ছিনতাইকারী। সৈকতে ঘুরতে আসা পর্যটকদের ড্যাগার-চাকু দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং আঘাত করে সর্বস্ব লুট করত তারা।
তিনি আরও জানান, আটকদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে তাদের কক্সবাজার সদর মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
চলতি মাসের শুরুর দিকে কক্সবাজার শহর ও আশপাশের এলাকায় হঠাৎ করে কয়েকটি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। একজন আইনজীবী, দুইজন এনজিওকর্মী ছিনতাইয়ের শিকার হন। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে নড়েচড়ে বসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গত ১ মার্চ থেকে পৃথক অভিযানে নামে র্যাব ও পুলিশ। তার ধারাবাহিকতায় ১৫ দিনে ৬৩ জনকে আটক করা হয়।
সর্বশেষ অভিযানে চারজনসহ র্যাব-১৫ গত ১৫ দিনে কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ২৯ ছিনতাইকারীকে আটক করেছে। একই সময়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানা ও কক্সবাজার শহর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা শহরের বিভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযান চালিয়ে ৩৪ ছিনতাইকারিকে আটক করেছে।
কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মুনীর-উল গিয়াস বলেন, ‘ছিনতাই রোধে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। অপরাধ দমনে পুলিশের আন্তরিকতার কমনি নেই। এর ধারাবাহিকতায় গত ১৫ দিনে ৩৪ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০ জনই চিহ্নিত ছিনতাইকারী।
