হোম জাতীয় মিরসরাই ট্রেন দুর্ঘটনা: মেডিকেল জুড়ে স্বজনদের বুকফাটা আর্তনাদ

জাতীয় ডেস্ক :

এক একটি অ্যাম্বুলেন্স হাসপাতালে ঢুকছে আর তার দিকে ছুটছেন স্বজনরা। এরপর অ্যাম্বুলেন্স ধরে শুরু করেন আহাজারি। থামানো যাচ্ছে না দুর্ঘটনায় নিহতদের বাবা-মাসহ ছোট ভাই, বড় ভাই কাউকেই।

এমন ‍দৃশ্য চোখে পড়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল (চমেক) কলেজ হাসপাতালে। বুকফাটা আর্তনাদ ছড়িয়ে পড়ে যেন পুরো মেডিকেল জুড়ে। কে কাকে সান্ত্বনা দেবে, সবাই উৎকণ্ঠায় ছিলেন নিজের স্বজনকে নিয়ে।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে আহতদের নিয়ে একে একে ৬টি অ্যাম্বুলেন্স আসে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

দুপুর ২টার দিকে মিরসরাইয়ে মহানগর প্রভাতী ট্রেনের ধাক্কায় পর্যটকবাহী মাইক্রোবাসের ১১ যাত্রী নিহত হন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

হাটহাজারী উপজেলার আমানবাজারে আর এন্ড জে প্রাইভেট কেয়ার কোচিং সেন্টার থেকে ভ্রমণে যায় দলটি।

আহতদের মধ্যে ৫ জনকে নিউরোসার্জারি বিভাগে এবং একজনকে জেনারেল ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন সময় সংবাদকে জানান, খৈয়াছড়া ঝরনা নামের পর্যটন স্পট থেকে গোসল করে ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামমুখী মহানগর প্রভাতী ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কা খায় মাইক্রোবাসটি। এতে ঘটনাস্থলে ১১ জন মারা যান। হতাহতদের বাড়ি হাটহাজারীর আমানবাজার এলাকায় বলে জানা গেছে।

ট্রেনটি ধাক্কা দেয়ার পর মাইক্রোবাসটিকে প্রায় এক কিলোমিটার ঠেলে নিয়ে যায়।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা আনসার আলী দাবি করেন, ট্রেনটি বড়তাকিয়া ক্রস করার সময় লাইনে উঠে যায় মাইক্রোবাসটি। এ সময় ইঞ্জিনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসটি কিছু দূর চলে যায়। লেবেল ক্রসিংয়ের বাঁশ ঠেলে মাইক্রোবাসটি লাইনে ওঠে যায়।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন