হোম আন্তর্জাতিক ভারত-পাকিস্তানকে সরাসরি বসতে বলছে চীন-যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

নিজেদের মধ্যকার উত্তেজনা কমিয়ে আনতে ভারত-পাকিস্তানকে সরাসরি আলোচনায় বসতে আহ্বান জানিয়েছে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি পাকিস্তানে ক্ষেপণাস্ত্র দুর্ঘটনাসহ অন্য ঘটনাবলী নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, উদ্বেগের বিষয়গুলো নিয়ে সরাসরি আলোচনা করতে পরমাণু শক্তিধর দুই প্রতিবেশীকে আমরা সমর্থন জানিয়ে আসছি।

ক্ষেপণাস্ত্র দুর্ঘটনা নিয়ে যৌথ তদন্তে পাকিস্তানের দাবিকে সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছেন চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান। সোমবার (১৪ মার্চ) সকালে তিনি বলেন, সব বিষয়ে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে সরাসরি আলোচনা হওয়া দরকার। যত দ্রুত সম্ভব তারা যাতে সংলাপে বসে ও এই ঘটনা নিয়ে তদন্ত করে, সংশ্লিষ্ট পক্ষের কাছে আমরা সেই আহ্বান জানাচ্ছি।-খবর ডনের

বেইজিংয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আরও জানান, দুই দেশের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান আরও জোরদার করতে ভারত পাকিস্তানের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা আর না-ঘটে এবং ভুলবোঝাবুঝির অবসানে তাৎক্ষণিক তথ্য জানানোর কলাকৌশলও প্রয়োগ করা উচিত।

চীনা কর্মকর্তা বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত-পাকিস্তান দুই দেশেরই গুরুত্ব রয়েছে। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে তাদের দায় রয়েছে।

পাকিস্তানে ভারতের ‘দুর্ঘটনাবশত’ একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিয়ে যৌথ তদন্ত চেয়েছে ইসলামাবাদ। এ ঘটনায় ভারত একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত করতে চাইলে তা প্রত্যাখ্যান করেছে প্রতিবেশী দেশটি। এতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছে পাকিস্তান। ভারতকে অপ্রীতিকর পরিণতিরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ যে প্রস্তাব দিয়েছে, এ রকম সাধারণ একটি ব্যাখ্যা দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সমাধান হওয়া উচিত না। কাজেই দুর্ঘটনাকে ঘিরে ঘটনাবলীকে নির্ভুলভাবে প্রমাণ করতে একটি যৌথ তদন্ত দরকার।

শুক্রবার ভারত জানিয়েছে, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের সময় কারিগরি ত্রুটির কারণে চলতি সপ্তাহে পাকিস্তানের ভূখণ্ডে একটি ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। এর আগে ভারতকে অপ্রীতিকর পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছিল পাকিস্তান।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, পারমাণবিক পরিস্থিতিতে স্থিতিশীলতা আনতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যথাযথ ভূমিকা পালন করতে পারে। যদি কোনো একটি পক্ষের ভুলব্যাখ্যায় উত্তেজনা বাড়ে, তবে ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন