হোম জাতীয় ফান্ড সংগ্রহে দুর্গম পাহাড়ে সন্ত্রাসী গ্রুপের গাঁজা চাষ

জাতীয় ডেস্ক :

চারদিকেই সবুজ পাহাড়ি অঞ্চল। রাঙ্গামাটির কাউখালী উপজেলা সদর থেকে পায়ে হেঁটে পৌঁছাতে সময় লাগে ৪ ঘণ্টার বেশি। আর সেই দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে কৃষকদের জিম্মি করে গাঁজা চাষ করতো চট্টগ্রাম ভিত্তিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। রাঙ্গামাটির কাউখালীতে এমনই ৫ একর জমির গাঁজা ক্ষেত পুড়িয়ে দিয়েছে র‌্যাব।

রোববার (১৫ নভেম্বর) দুপুর থেকে শুরু হওয়া ১৮ ঘণ্টার এ অভিযানে জব্দ হওয়া ৫ হাজার কেজি গাঁজা ক্ষেতই পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। সেই সঙ্গে আটক করা হয় জমির মালিককে।

জানা গেছে, আর এই দুর্গম অঞ্চলে ইউপিডিএফ সন্ত্রাসীরা স্থানীয় কৃষকদের গাঁজা চাষে বাধ্য করেছে। পুরো অঞ্চলকে ১১টি জোনে ভাগ করে চলছিল গাঁজা চাষ। মূলত তহবিল সংগ্রহ করতেই শান্তিচুক্তি বিরোধী ইউপিডিএফের সন্ত্রাসীরা মাদক অঞ্চলটি গড়ে তুলেছিল বলেও বেরিয়ে এসেছে অভিযানে।

র‌্যাব-৭ এর উপ অধিনায়ক মেজর মোস্তফা জামান বলেন, যারাই গাঁজা চাষ করুক এবং যারা গাঁজা চাষে সহযোগিতা করুক না কেনো আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। বিভিন্নভাবে আমরা তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবো।

৫ একর জায়গার ওপর গড়ে তোলা এ মাদক অঞ্চলে চলতি মৌসুমে অন্তত ৫ হাজার কেজি গাঁজার চাষ করা হয়েছে। মূলত নিজেদের তহবিল সংগ্রহের জন্যই পাহাড়ি সন্ত্রাসী গ্রুপগুলো দুর্গম অঞ্চলে গাঁজার চাষসহ মাদক ব্যবসা করে আসছে। দুর্গম হওয়ার কারণে এখানে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তেমন কোনো তৎপরতা না থাকার সুযোগ নিয়েছে সন্ত্রাসী গ্রুপগুলো।

র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এম এ ইউসুফ বলেন, পাহাড়ের গহীন অঞ্চলে স্থানীয়দের জিম্মি করে এবং ভয় দেখিয়ে তারা বড় এলাকায় গাঁজা চাষ করতো। পরবর্তীতে তারা এই গাঁজাগুলো পাইকারদের মাধ্যমে বিভিন্ন পন্থায় চট্টগ্রামসহ ঢাকায় নিয়ে গিয়ে বিক্রি করতো। এটাই ছিল মূলত তাদের ফান্ডিংয়ের মূল উৎস।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন