হোম অন্যান্যসারাদেশ ঝিনাইদহে পৌর নির্বাচনে বিএনপি’র দুই নেত্রীর অংশগ্রহণ

ঝিনাইদহ অফিস :

নির্দলীয় সরকারের অধীন ছাড়া স্থানীয় সরকার বা কোন নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্তে কেন্দ্রীয় বিএনপি অনড় অবস্হানে।কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্দেশনা অগ্রাহ্য করে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেয়াই ইতিমধ্যে পদ হারিয়েছেন ও বহিস্কার হয়েছেন নারায়নগন্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে এড.তৈমুর আলম খোন্দকার।সদ্য সমাপ্ত কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে অংশ নিয়ে দল থেকে আজীবন বহিস্কার হয়েছেন সাক্কু।এমনকি সহযোগী সংগঠনের নেতা ও কুমিল্লাতে কমিশনার নির্বাচন করে বহিস্কার হয়েছেন।

বহিস্কারের ব্যাতিক্রম চিত্র দেখা যাচ্ছে ঝিনাইদহ জেলাতে।বহিস্কারের বদলে জেলায় দলীয় পদ দিয়ে সম্মানিত করার তোড়জোড় চলছে আসন্ন ঝিনাইদহ জেলা মহিলা দলের কাউন্সিলে।২০১৯ সালে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে মহিলা ভাইস চেয়্যারম্যান নির্বাচন করা তহুরা খাতুন কে আসন্ন জেলা মহিলা দলের প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক করা হয়েছে।আসন্ন ঝিনাইদহ পৌরসভা নির্বাচনে পৌর মহিলা দল নেত্রী মোছাঃ আনজুমানয়ারা খাতুন আনজু সংরক্ষিত ৪,৫,ও ৬ নং ওয়ার্ড থেকে অটোরিকসা প্রতীক নিয়ে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করছেন এবং ৭,৮,৯নং ওয়ার্ড থেকে পলি খাতুন জবা ফুল প্রতীক নিয়ে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করছেন।তাদের ও স্হান হয়েছেন আসন্ন ঝিনাইদহ জেলা মহিলাদলের প্রস্তুতি কমিটিতে।

দলের এমন সিদ্ধান্তে হতাশ সাধারণ দলীয় কর্মীরা।পৌর মহিলাদলের নেত্রী নিলিমা খাতুন বলেন দলের সিদ্ধান্ত সবার জন্যই তো সমান হওয়া উচিত।দলের উর্ধ্বে কেউ না।বিদ্রোহী প্রার্থীদের দিয়ে মহিলা দলের মতো একটা সংগঠনের প্রস্তুতি কমিটি কিভাবে অনুমোদন করলেন জেলা বিএনপির সভাপতি এম.এ মজিদ ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা তা দেখা অবাক হচ্ছি।দেশনায়ক তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত অগ্রাহ্য করে উনারা তৃণমূল নেতাকর্মীদের কি বার্তা পৌছে দিলেন?দলের অনুগত ত্যাগী যোগ্য নির্যাতিতদের কে দিয়ে মহিলা দলের কমিটি করলেই শুধুমাত্র দল শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হবে ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন সফল হবে।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন