হোম আন্তর্জাতিক প্রথমবারের মতো ট্রিলিয়নিয়ার পেতে যাচ্ছে বিশ্ব!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়ন ডলার সম্পদের মালিক হতে যাচ্ছেন মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। ২০২৪ সালের মধ্যেই তিনি এক লাখ কোটি মার্কিন ডলারের সম্পদের অধিকারী হবেন। টিপালটি অ্যাপ্রুভের জরিপ এমন পূর্বাভাসই দিয়েছে।

বিশ্বের ধনীদের মোট সম্পদের তুলনা করে এই দাবি করা হয়েছে। ফোর্বসের রিয়েল টাইম ধনকুবের তালিকা অনুসারে, টেসলা ও স্পেসএক্স প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের মোট সম্পদ ২৬ হাজার ৭৩০ কোটি মার্কিন ডলারের। গেল বছর অ্যামাজনের সাবেক নির্বাহী জেফ বেজোসের কাছ থেকে বিশ্বের শীর্ষ ধনীর খেতাব কেড়ে নেন মাস্ক।

পৃথিবীতে জীবিত কোনো মানুষের হাতে তার মতো এতো সম্পদ নেই। বেজোস বর্তমানে ১৮ হাজার ৯২০ কোটি মার্কিন ডলারের সম্পদের মালিক।

টিপালটি অ্যাপ্রুভের জরিপ বলছে, ২০১৭ সাল থেকে মাস্কের সম্পদ গড়ে ১২৯ শতাংশ হারে বাড়ছে। এতে মাত্র দুবছরের মধ্যেই ট্রিলিয়ন ডলারের ঘরে ঢুকতে পারবেন তিনি। ব্রিটিশ হিসাবে, এক লাখ কোটিতে এক ট্রিলিয়ন হয়।

অর্থাৎ ৫২ বছর বয়সী মাস্ক ২০২৪ সাল নাগাদ এক লাখ ৩৮ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের সম্পদের অধিকারী হবেন। ইলন মাস্কের সম্পদে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছে বৈদ্যুতিক গাড়ি, সৌর ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি কোম্পানি টেসলা।

উপগ্রহ, আইএসএস সরবরাহ ও মানুষসহ বিভিন্ন জিনিস মহাকাশে পাঠাতে সরকারি ও বাণিজ্যিক গ্রাহকদের দায়িত্ব নিয়ে বিপুল অর্থ আয় করেছে স্পেসএক্স।

বিশ্বের ধনীদের তালিকায় আরও আছেন, ভারতীয় কনগ্লুমারেট আদানি গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান গৌতম আদানি, মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস, বেইজিংয়ের বাইটড্যান্স প্রযুক্তির প্রতিষ্ঠাতা ঝ্যাং ইয়েমিং ও অ্যামাজনের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেফ বেজোস।

জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটক ও টোটায়ের মূল কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা ঝ্যাং ইয়েমিং ২০২৬ সাল নাগাদ ট্রিলিয়ন ডলারের মালিক হওয়ার পথে রয়েছেন। যদি তা ঘটে, তবে ৪২ বছর বয়সী এই ধনকুবের হবেন বিশ্বের কনিষ্ঠ ট্রিলিয়নিয়ার।

যদিও এ বিষয়ে পূর্বাভাস দেওয়া অনেক কঠিন। কারণ যে কোনো সময় কারো সম্পদ অনেক বেশি বৃদ্ধি কিংবা কমে যেতে পারে।

চীনা বোতলজাত পানি কোম্পানি নংফু প্রিংয়ের প্রধান ঝং শানশানের সম্পদ দুই বছরের মধ্যে আকাশচুম্বী বেড়ে গেছে। ২০২০ সালে তার সম্পদ ছিল ২০০ কোটি মার্কিন ডলার। কিন্তু হংকংয়ে তার পানির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ২০২০ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাত হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলারে।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন