হোম জাতীয় খোঁজ নেই নাবিক সেলিমের, বাড়িতে কান্না

জাতীয় ডেস্ক :

জাহাজে চাকরি করেন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার মো. সেলিম। ভৈরব উপজেলার জাফরনগর গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে তিনি। এমভি ‘বাংলার সমৃদ্ধি’ জাহাজে কর্মরত অবস্থায় রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয়।

গত তিনদিন আগে তার সঙ্গে কথা হয় পরিবারের। এরপর থেকে সেলিমের ফোন বন্ধ। কোনোভাবেই তার সাথে যোগাযোগ করতে পারছে না পরিবারের সদস্যরা। সে বেঁচে আছে না কি মরে গেছে এনিয়ে খুব চিন্তিত পরিবারের সদস্যরা।

তার বড় বোন মর্জিনা বেগম সময় সংবাদকে জানান, সেলিম খুব মেধাবী ছাত্র ছিল। ১৫ বছর আগে চট্টগ্রাম থেকে মেরিন ইঞ্জিনিয়ার পাশ করে এমভি বাংলার সমৃদ্ধি জাহাজে চাকরিতে যোগদান করে। সে জাহাজের সেকেন্ড চিফ অফিসার। পাঁচ ছয় মাস পর পর ছুটি নিয়ে ভৈরবের বাসায় আসে। গত ৫ মাস আগে সে ভৈরবে এসেছিল।

তিনি আরও বলেন, শহরের নিউটাউন এলাকায় তার স্ত্রী সন্তান ভাড়া বাসা নিয়ে বসবাস করে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে সে ইউক্রেনের সাগরে জাহাজে আটকা পড়ে।

সেলিমের স্ত্রী খালেদা বেগম সময় সংবাদকে বলেন, গত তিনদিন আগে তার সাথে ফোনে কথা হয়। তখন বলেছিল যুদ্ধের কারণে সাগরে আটকা পড়েছে। বলেছিল, আমি জাহাজে বিপদে আছি, দোয়া করবে। এরপর থেকে তার সাথে কোনো যোগাযোগ করতে পারছি না।

তার বাবা বৃদ্ধ মফিজ উদ্দিন বলেন, আমার ছেলেটা বেঁচে আছে কি না জানি না। তার স্ত্রীসহ দুটি মেয়ে রয়েছে। টিভির খবরে দেখেছি বাংলাদেশের জাহাজ থেকে সকলকে উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু আমার ছেলের সাথে তিনদিন ধরে যোগাযোগ নেই আমার পরিবারের। তাকে উদ্ধারের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান তিনি।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন