হোম জাতীয় ওমিক্রনের শঙ্কা: কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ?

 

জাতীয় ডেস্ক :

ওমিক্রনের সংক্রমণ ঠেকাতে বিদেশফেরত সব যাত্রীর স্থল ও বিমানবন্দরে র‍্যাপিড পরীক্ষার তাগিদ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে দেশে ওমিক্রনের অস্তিত্ব জানতে জিনোম সিকোয়েন্সের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। আর অতি সংক্রামক এ ভ্যারিয়েন্টের ভয়াবহতা ঠেকাতে এখন থেকেই হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় আগাম প্রস্তুতির ওপর দেওয়া হচ্ছে বিশেষ জোর।

বিশ্বজুড়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে কোভিডের নতুন ধরন ওমিক্রন। এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে প্রায় ৪০ দেশে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রতিবেশী ভারত আর শ্রীলঙ্কায়ও হানা দিয়েছে অতি সংক্রামক এ ভ্যারিয়েন্ট।

এ অবস্থায় উড়িয়ে দেওয়া যায় না কোনো শঙ্কাই। এত কিছুর পরও সীমান্ত এলাকায় কড়াকড়ি কতটা পর্যাপ্ত, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

যদিও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, অন্য দেশ থেকে আসাদের স্থল ও বিমানবন্দরে স্ক্রিনিং করানোর পাশাপাশি সন্দেহভাজনদের র‍্যাপিড টেস্টের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে বিদেশ থেকে যারাই আসবেন, সবারই র‍্যাপিড টেস্ট করানোর পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক ডা. রিদওয়ানউর রহমান বলেন, আমাদের আইসোলেশনের ব্যবস্থা করতে হবে। টেস্টিং ক্যাপাসিটি বাড়াতে হবে। নেগেটিভ রিপোর্ট ছাড়া কেউ দেশে আসতে পারবে না।

ওমিক্রন শনাক্তের জন্য জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

অধ্যাপক ডা. রিদওয়ানউর আরও বলেন, ইচ্ছা থাকলে এটা রুটিন অনুযায়ী করা সম্ভব। মিনিমাম একটা বাজেট দিতে হবে। সরকারকে বলতে হবে, আপনারা টেস্ট করতে থাকেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, ওমিক্রনের বিস্তারে আগাম প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে হাসপাতালগুলোতে। আর সবার টিকা নিশ্চিত ও স্বাস্থ্যবিধির ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন