হোম অন্যান্যসারাদেশ মণিরামপুরে দুই অপমৃত্যু মামলা

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :

মণিরামপুরে মাছের ঘের থেকে দেহে ইট বাধা অবস্থায় বৃদ্ধের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে ভোলানাথের ভাই প্রদীপ বিশ্বাস বাদি হয়ে মামলাটি করেন। এদিকে হেফাজতে নেওয়া বৃদ্ধের ছেলে পরিমল বিশ্বাস ও ভাইপো দেবু বিশ্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নেহালপুর ক্যাম্পের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) আতিকুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছন।

এদিকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে মুক্তি মণ্ডল (১৮) নামে এক গৃহবধূর আত্মহত্যার ঘটনায় একই সময়ে থানায় অপর একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। মুক্তি মণ্ডল উপজেলার মনোহরপুর বারপাড়ার স্বপন হালদারের স্ত্রী।

থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আশরাফুল বলেন, দেড় বছর আগে মুক্তির বিয়ে হয়। মঙ্গলবার বাবার বাড়ি যেতে চায় মুক্তি। স্বামী অনুমতি না দেওয়ায় অভিমান করে ঘরের আড়ার সাথে গামছা জড়িয়ে ওই দিন দুপুরে আত্মহত্যা করেছে মুক্তি।

এ দিকে গতকাল বুধবার সকালে ভোলানাথ ও মুক্তির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। এসআই আতিকুজ্জামান বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পেলে ভোলানাথের মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ভোলানাথের ছেলে ও ভাইপোকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

গত সোমবার সকালে বাড়ির পাশের মাছের ঘের দেখতে বের হন উপজেলার পাঁচাকড়ি রাজবংশী এলাকার ভোলানাথ। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি তিনি। পরে মঙ্গলবার দুপুরে ঘেরে দড়ি টেনে কোমরে ও পায়ে ইট বাধা অবস্থায় তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেন এলাকাবাসী। স্থানীয়দের ধারণা ভোলানাথকে কেউ হত্যা করে দেহে ইট বেধে লাশ ঘেরে ফেলে দিয়েছে।

মনিরামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি অপমৃত্যু মনে হয়েছে। এ জন্য অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন