সচ্চিদানন্দদেসদয়,আশাশুনি প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা-করোনা ভাইরাসে আতঙ্কিত দেশের জনপদে সংক্রমণ এড়াতে নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। সরকারের সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণী মহল ইতোমধ্যে জারী করেছে কতিপয় নির্দেশনা। আর এ সকল নির্দেশনা বাস্তবায়নে মহানগরী, জেলা ও উপজেলা তথা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে স্থানীয় প্রশাসন। দেশের অন্যান্য স্থানের মতো যখন এক অজানা আতঙ্ক বিরাজ করছে জনমনে, তখন ভয় কে জয় করে কর্তব্যনিষ্ঠা দিয়ে নিজেকে মেলে ধরেছেন সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা।
মনে সাহস ও মনোবল নিয়ে ভাঙ্গন কবলিত এলাকা আশাশুনি উপজেলার এগারটি ইউনিয়নে দিন রাত ছুটে চলেছেন।মানুষের মুখে হাসি ফুটানো তার একমাত্র কাজ এখন।অসহায় ও আতঙ্ক গ্রস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন।মানুষকে সচেতন করতে হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা,বাজার মূল্য স্থিতিশীল রাখা,অসহায় দরিদ্র মানুষের খাদ্যের ব্যবস্থা করা,নদী ভাঙ্গন এলাকার মানুষ কে বাঁচানো,হাসপাতাল মনিটরিং করে চলেছেন এ সংকট ময় মুহুর্তে।তাঁর এ সকল কর্মযজ্ঞের কারণে গোটা আশাশুনি উপজেলাতে মানবতাবাদের এক জলন্ত উদাহরণ হয়ে উঠেছেন তিনি।
প্রশাসনিক দক্ষতা, সহনশীল মানবিকতা আর সদাহাস্য আচরণ তার কর্মগুণকে প্রশংসিত করেছে আশাশুনির জনপদে।সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা যায়, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক জেলা প্রশাসকের তত্বাবধানে তিনি উপজেলার জনগণকে সচেতন ও হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ছুটে চলেছেন এক প্রান্ত থেকে অপরপ্রান্তে।
আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে আইন অমান্যকারীকে দিচ্ছেন সাজা। ইতোমধ্যে যা দৃশ্যমান হয়েছে এ উপজেলাতে। করোনা ভাইরাসকে পুঁজি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা যখন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করেছে, তখন বাজার নজরদারি করে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে অসাধু ব্যবসায়ীকে করেছেন জরিমানা। পাশাপাশি দিয়েছেন কঠোর নির্দেশনা। অন্যদিকে মরণব্যাধী অদৃশ্য এ ঘাতকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরিতে মাঠ পর্যায়ে প্রচারণাসহ তাঁর অফিসিয়াল ফেইসবুক পেজে দিচ্ছেন বিভিন্ন পরামর্শ।