আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দাবি করেছন, রাশিয়ার সৈন্য সরিয়ে নেওয়ার কথা থাকলেও এখনো প্রায় দেড় লাখ রুশ সৈন্য ইউক্রেনকে ঘিরে বিপজ্জনক অবস্থানে আছে। – দ্য গার্ডিয়ান
মঙ্গলবার বিকেলে (১৫ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউজে দেওয়া এক ভাষণে বাইডেন ইউক্রেনে হামলা হলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জোরদারের হুমকি দেন। সঙ্গে এও জানান এর জন্য ভুক্তভোগী হতে হবে আমেরিকানদেরকেও।
ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ার সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি পরিষ্কার নয় দাবি করে রাশিয়ার ইউক্রেনে হামলার সম্ভাবনা ‘প্রবল’ বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, রুশ সেনারা ঘাঁটিতে ফিরে যাচ্ছে কি না তা আমরা এখনো জানি না।
ভাষণে প্রয়োজনে রুশ সামরিক বাহিনীকে রুখতে তিনি সারাবিশ্বের মানুষকে একত্রিত করবেন বলে জানান। তবে আমেরিকান সৈন্যদের ইউক্রেনে পাঠাবেন না বলেও সাফ জানান বাইডেন।
বুধবার ভিডিওতে দেখা গেছে, ট্যাংক, পদাতিক যুদ্ধযান, স্বয়ংক্রিয় কামান ইউনিট ক্রিমিয়া উপদ্বীপ ছেড়ে চলে যাচ্ছে। ২০১৪ সালে ক্রিমিয়াকে রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে একীভূত করা হয়েছিল।
রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, স্থায়ী সামরিক ঘাঁটিতে যোদ্ধাদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। যুদ্ধ উপকরণ ফিরিয়ে নেওয়ার পর সেগুলোকে মেরামত ও পরবর্তী পর্যায়ের প্রশিক্ষণের জন্য প্রস্তুত করা হবে।
সংবাদ সংস্থা আরআইয়ের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, রাতের বেলায় কয়েক ডজন সামরিক যান সেতুটি অতিক্রম করে চলে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, ইউরোপে কোনো যুদ্ধ চাচ্ছে না রাশিয়া। তবে পূর্ব ইউক্রেনের পরিস্থিতিকে তিনি ‘গণহত্যা’ বলে উল্লেখ করেছেন। মিনসক শান্তি চুক্তির আওতায় সেখানকার পরিস্থিতি সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট।
