হোম আন্তর্জাতিক ইউক্রেনকে অস্ত্র দেওয়ার বিরোধিতা বাড়ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইউরোপীয় দেশগুলো যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনে পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহে বিরোধিতা বাড়ছে। খবর প্রেস টিভি ও পার্স টুডের।

তবে ইউরোপীয় নেতাদের দাবি, ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ করার অর্থ এই নয় যে, চলমান যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করা।

সোমবার (২৫ এপ্রিল) ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রেসিডেন্ট উরসোলা ভন ডার লিয়েন ভারত সফরের সময় ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ করার ব্যাপারে ইউরোপীয় জোটের নীতিকে সমর্থন করে বক্তব্য রেখেছেন।

গত সপ্তাহে ইইউর পার্লামেন্টের বহু সংখ্যক সদস্য ইউক্রেনে প্রাণঘাতী অস্ত্র সরবরাহের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

এছাড়া ইইউর সাধারণ লোকজন পশ্চিমা অস্ত্রের ঢল নামানোর বিরোধিতা করছেন।

ইউক্রেন সংকটকে কেন্দ্র করে এবং তারও কিছু আগে থেকে ইইউর দারিদ্র্যতা বাড়ছে। এ অবস্থায় যুদ্ধবিরোধীরা দাবি তুলেছে, ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহের পেছনে বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ না করে বরং সেই অর্থ জনগণের জীবনমানের উন্নয়নে ব্যয় করা দরকার।

ইইউর সুশীল সমাজ এবং বহু আইন প্রণেতা বলছেন, ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহের পরিবর্তে শান্তি আলোচনাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। এর বাইরে চলমান সংঘাত অবসানের কোনো বিকল্প নেই বলে তারা মত দিচ্ছেন।

এদিকে দ্য টেলিগ্রাফের খবরে বলা হয়েছে, ইউক্রেনে ট্যাংক সরবরাহ করবে জার্মানি। জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ তার দল ও আন্তর্জাতিক মিত্রদের চাপে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এর আগে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন দাবি করেন, ইউক্রেনীয়রা ‘সঠিক সরঞ্জাম’ এবং সমর্থন পেলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে জিততে পারে।

পোলিশ-ইউক্রেন সীমান্তে এক সংবাদ সম্মেলনে অস্টিন বলেন, যুদ্ধে জয়ের প্রথম ধাপ হলো বিশ্বাস করা যে আপনি জিততে পারবেন। আমি বিশ্বাস করি তারা (ইউক্রেন) জিততে পারবে। আর রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের জয় নিশ্চিত করার জন্য আমাদের যা যা করা প্রয়োজন, তার সবই করব।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন