আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে নানা বিষয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও কোনোকিছু নিয়ে সংঘাতে না জড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দুই দেশের প্রেসিডেন্ট। জো বাইডেন ও শি জিনপিং সাত মাস পর দীর্ঘক্ষণ ফোনে কথা বলেছেন।
আফগানিস্তান ইস্যুতে আন্তর্জাতিক রাজনীতি যখন উত্তাল, ঠিক সে সময় কথা হলো তাদের। আলোচনায় তারা আফগান ইস্যু ছাড়াও স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে কথা বলেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের দ্বৈরথ দীর্ঘদিনের। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে প্রায়ই উত্তেজনা বিরাজ করে। তবে এসব উত্তেজনাকে পাশ কাটিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজলেন দুই দেশের প্রেসিডেন্ট। জো বাইডেন ও শি জিনপিং টেলিফোনে দীর্ঘ সময় নিজেদের মধ্যে সম্পর্কোন্নয়নে কথা বলেছেন।
দীর্ঘ সাত মাস পর বাইডেন ও শিয়ের মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে। এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতাধর এই দুই দেশের প্রধানের মধ্যে সর্বশেষ কথা হয়। মার্কিন সময় বৃহস্পতিবার ফোনালাপ হয় বলে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
দুই প্রেসিডেন্টের আলাপচারিতার পর একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউস। সেখানে বলা হয়, ফোনালাপে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৌশলগত বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আধিপত্য বিস্তারে বেইজিং ও ওয়াশিংটনের প্রতিযোগিতা যেন দ্বন্দ্বের দিকে মোড় না নেয়, তা নিয়ে দায়িত্বশীল থাকার বিষয়টিও উঠে এসেছে।
এমন সময় দুই নেতার কথা হলো, যখন আফগানিস্তানে মার্কিন প্রভাব ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং চীনা প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। তালেবানের সমালোচনা করছেন মার্কিন নেতারা আর চীনের নেতারা তালেবানের জন্য সহায়তার অঙ্ক ঘোষণা করেছেন।
বাণিজ্যযুদ্ধ, নৌ আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট কামালা হ্যারিস দক্ষিণ এশিয়া সফরের পর উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। যদিও চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতার সম্পর্ক চাইলেও কোনো দ্বন্দ্বে না জড়ানোর কথা সফরে এসে বলেছিলেন কামালা হ্যারিস।
