হোম অন্যান্যসারাদেশ ঝিনাইদহে শেষ মহুর্ত্তে গরু খামারীরা দেশীয় পদ্ধতিতে করছে মোটাতাজাকরনের কাজ, গো-খাদ্যর দাম বেশি ও গরুর মুল্যে না পাওয়ায় হতাশ খামারীরা

শিপলু জামান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি :

ঝিনাইদহে কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে চলছে শেষ মুহূর্তের গরু মোটাতাজা করণের কাজ। দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এখন খামারীরা প্রস্তুত ব্যাপারী ও বিভিন্ন বাজারে গরু বিক্রির জন্য। ঈদকে সামনে রেখে গো-খাদ্যর দাম বেশি ও গরুর দাম ঠিকমত না পাওয়ার তারা হতাশ হয়ে পড়েছেন। বাজারে ভারতীয় গরুর আমদানী হবে এমন দু:শ্চিন্তায় রয়েছেন খামারীরা।

সামনে কোরবানীর ঈদ, ধরতে হবে বাজার তাইতো ঝিনাইদহের খামারীরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন শেষ মুহূর্তের গরু মোটাতাজা করণের কাজে। গমের ভূষি, খৈল, খড়, কাচা ঘাস সহ অন্যান্য খাবার খাওয়ানো হচ্ছে গরুকে। কেউ খড় কাটছেন কেউবা গরু পরিষ্কার করছেন পানি দিয়ে। এভাবেই দেশীয় পদ্ধতিতে চলছে ছোট, বড় ও মাঝারি আকারের খামারীদের গরু মোটাতাজা করণের কাজ।

সকলেরই লক্ষ কোরবানীর ঈদে ভাল দামে গরু বিক্রি করে মিলবে বেশী টাকা। কিন্তু গো-খাবারের দাম বেশী হওয়ায় খরচও হয়েছে বেশী। আর ঈদ ঘনিয়ে আসলেও খুব একটা দেখা মিলছে না ঢাকা, চট্রগ্রাম সহ বাইরের গরুর ব্যাপারীর। স্থানীয় বাজারেও নেই তেমন গরুর দাম। অন্যদিকে শেষ মূহূর্তে বাজারে আসবে ভারতীয় গরু এমন শঙ্কায় রয়েছেন খামারীরা।

ব্যাপারিরা জানান, এ জেলার মানুষের চাহিদা মিটিয়ে খামারীরা ঢাকা ও চটগ্রামের গরু রপ্তানী করে থাকেন। যার কারনে গত বছরের তুলনায় গরুর দাম কম, তবে সীমান্ত দিয়ে গরু আসা বন্ধ হলে তারা লাভ করতে পারবেন বলে জানান।

কালীগঞ্জ উপজেলার ফয়লা গ্রামের খামারি রিপন হোসেন বলেন, গরু কিনতে বাইরের খরিদ্দার তেমন আসছে না। যদি ভারতীয় গরু বাজারে আসে তাহলে খুব ক্ষতি হয়ে যাবে।

প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা জানান, এবারে গরুর গো-খাদ্যর দাম বেশি। খামারীদের এখন কিছুটা লোকসান হলেও শেষ মুহূর্তে তারা ভাল দাম পাবেন। দেশীয় গরুই দেশের চাহিদা পূরণ করতে পারবে তাই প্রতিবেশী দেশ থেকে গরু আমদানীর প্রয়োজন নেই।

জেলা প্রাণী সম্পদ অফিসের দেওয়া তথ্য মতে এবার কোরবানীর ঈদকে ঘিরে ৫৩ হাজার গরু ও ৪২ হাজার ছাগল ও ৫ শত ভেড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। এ জেলায় ২২হাজার খামারী তাদের গরু বিক্রয়ের জন্য প্রস্তুত করেছে।

ঝিনাইদহ জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: আনন্দ কুমার অধিকারী বলেন, আমাদের পালিত গরুই চাহিদা পূরন করতে পারবে, ফলে বাইরের গরু আমদানীর প্রয়োজন নেই ।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন