জাতীয় ডেস্ক :
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ঘরমুখো যাত্রীর চাপ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফেরিঘাটে দীর্ঘ হতে থাকে গাড়ির সারি। প্রচণ্ড গরম আর ফেরি সংকটে যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে। তবে দীর্ঘদিন পর পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে যাওয়া নিয়েও সবার মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।
যাত্রীরা জানান, ঈদের আনন্দে বাড়ি যাচ্ছি। পরিবারের সবার সঙ্গে দেখা হবে, এতে অনেক আনন্দে আছি।
মানিকগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে বাড়ি যেতে পারে আমরা সে ব্যবস্থা করব। যাত্রী ভোগান্তি কমাতে সাধারণ পণ্যবাহী গাড়ি আটকে রাখা হচ্ছে। তবে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে অতি জরুরি পণ্যবাহী ট্রাক।
এদিকে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও শিমুলিয়া-মাঝিরকান্দি নৌপথেও দেখা দিয়েছে ফেরি সংকট।
অন্যদিকে মাঝিরকান্দিতে দ্বিতীয় ঘাট সচল হলে যাত্রী ভোগান্তি কিছুটা কমবে বলে জানায় বিআইডব্লিউটিসি।
মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়ার বিআইডব্লিউটিসি টার্মিনাল সুপার এইচ এম ইয়াদুল ইসলাম বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের বাড়ি ফেরানোর জন্য আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি।
এ ছাড়া গাজীপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ধীরগতিতে চলছে যানবাহন। দুর্ভোগ কমাতে বাড়তি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ।
গাজীপুর সালনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন খান বলেন, ‘বিভিন্ন জরুরি পয়েন্টে সব মিলিয়ে ২০টি সিসি ক্যামরা রয়েছে। এগুলো সিনিয়াররা মনিটরিং করছেন। আমরাও গুরুত্বপূর্ণ ১৩টি পয়েন্টে সার্বক্ষণিক পেট্রল ও মোবাইল ডিউটি তদারকি করছি।’
তবে নাওজোড়, সফিপুর ও গোড়াই ফ্লাইওভার খুলে দেওয়ায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে যান চলাচল।
