আশাশুনি প্রতিনিধি :
আশাশুনিতে আইন-শৃংখলার তোয়াক্কা না শ্রীউলা ও প্রতাপনগর সিমান্তবর্তী কোলা ভাঙ্গন কুলে রমরমা জুয়া ও মাদকের আসর চালিয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ জানা গেছে এলাকার কুখ্যাত মাদক ও জুয়া সম্রাট শহিদুল ও সিরাজুল ইসলাম আইন-শৃংখলার তোয়াক্কা না করে জনগণের বাধা উপেক্ষা করে প্রশাসনের নাকের ডগায় বহাল তবিয়তে চালিয়ে যাচ্ছে রমরমা জুয়ার আসর চলছে। এ নিয়ে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশ হলেও এখনো ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন।
সরেজমিনে গেলে এলাকাবাসী জানায় অসংখ্য মৎস্য ঘের ব্যবসায়ী ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিরা জানান শ্রীউলা ইউনিয়নের ৯০দশকের সাবেক চেয়ারম্যান এড. জহুরুল হকের ছেড়ে চলে যাওয়া মৎস্য ঘেরের একটি পরিত্যাক্ত স্থানে জুয়া সম্রাট শহীদুল ও সিরাজুলের নিজস্ব অর্থায়নে ঘর নির্মান করে ফিল্মিষ্টাইলে জুয়া ও মাদকের কারবার অব্যহত রেখেছে। হিজলিয়া গ্রামের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সিরাজুল ও কোদন্ডা গ্রামের মাফিয়া গ্রুপের অন্যতম নেতা জুয়াসম্রাট শহীদুল রমরমা জুয়ার আসর বসিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা কামিয়ে নিচ্ছে।
এ ছাড়া ওই আসরে জুয়া চলাকালীন সময়ে জুয়াড়ীদের মনোরঞ্জন করার জন্য একটি পক্ষ নারী ও মাদক যোগান দিচ্ছে। এমন জঘন্য কর্মকান্ডে এলাকার ছাত্র ও যুব সমাজ ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে এসে দাড়িয়েছে। এর ফলে এলাকায় চুরি,ডাকাতি, ছিনতাই, মাস্তানীর আশাংকা করছে এলাকার মানুষ। তারা আরও বলেন জুয়াসম্রাট শহীদুল ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন জেলা থেকে নত্তকী এনে পুইজালা হাড়িয়ার হাট, খাজরার বালুরমাঠ ও শোভনালীর সিংহের মাঠসহ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অশ্লিল নৃত্য, মাদক, জুয়া পরিচালনা করে সে কাল টাকার পাহাড় গড়ে তুলেছে।
কুখ্যাত এ অসৎ, দূনীতিবাজ, ব্লাকমেইলকারী শহিদুল ও সিরাজুল দম্ভের সাথে এলাকায় তাদের অবৈধ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। তাদের এসকল সমাজ বিরোধী কার্যকলাপে উপজেলাবাসীকে ভাবিয়ে তুলেছে। সবমিলে এলাকার মানুষ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিকট এ জঘন্য ঘৃনিত মানুষ নামের এসকল সমাজবিরোধী ব্যক্তিদের দুষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে শহিদুল ও সিরাজুল বলেন আমরা সবকিছু ম্যানেজ করে খেলা চালিয়ে সাংবাদিক লিখতে পারে কিন্তু হাতকড়া তো পরাতে পারে না। পত্রিকায় যত বেশি লিখবে আমরা এর থেকে আরও বেশি পরিসরে আরও বেশি লোকসমাগম করে জুয়ার আসর চালিয়ে যাব। দেখি আমাদেরকে কি করতে পারে। এখন জুয়া খেলা চালাচ্ছি দুপুর পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত এরপর জুয়ার আসর চালাবো সারাদিন সারারাত দেখি আমাদেরকে কি করতে পারে।
সুতরাং আপনাদের যা লেখার তা লিখুন আমরা আমাদের মতো জুয়ার আসর চালিয়ে যাব। তাদের এই দাম্ভিকতার খুটির জোর কোথায় এলাকাবাসীসহ সচেতন মহল জানতে চাই। সাথে সাথে প্রশাসনের এই নিরবতা এলাকাবাসীর মনে বিভিন্ন প্রশ্নের উদ্রেক ঘটিয়েছে।
