জাতীয় ডেস্ক :
৫৩ বছরেও সংস্কার হয়নি বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড কুষ্টিয়া সেন্টারের। গেলো বছর আধুনিক নতুন মেশিন আনা হলেও পড়ে আছে খোলা আকাশের নিচে। কাপড় উৎপাদক ও তাঁতীদের দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে মেশিনগুলো স্থাপন করা হোক। নতুন যন্ত্রপাতি দ্রুত বসানো হবে বলে আশ্বাস তাঁত বোর্ড কর্মকর্তার।
কুষ্টিয়া, রাজবাড়ী, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর জেলার তাঁতীদের জন্য ১৯৫৮ সালে কুমারখালী উপজেলায় গড়ে ওঠে বেসিক সেন্টার। সে সময়ে প্রান্তিক তাঁতীদের জন্য ইংল্যান্ড, জার্মানি থেকে আনা হয় ৮ ধরনের মেশিন। যে মেশিনগুলো দিয়ে কম মূল্যে সুতা সিঙ্গেল করা থেকে ধাপে ধাপে কাপড় ক্যালেন্ডার পর্যন্ত করা হতো।
এ বেসিক সেন্টার থেকে প্রান্তিক পর্যায়ে তাঁতীরা স্বল্প মূল্যে কাপড় উৎপাদন করতে পারত। আস্তে আস্তে বেসিক সেন্টারের যন্ত্রপাতিগুলো অকার্যকর হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ৪ জেলার তাঁতীদের মান উন্নয়নের জন্য সরকার থ্রি-সার্ভিস সেন্টার প্রকল্পের আওতায় ৩২ কোটি টাকার আধুনিক যন্ত্রপাতি ক্রয় করে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে যন্ত্রপাতি সরবরাহ শুরু করে তারপর থেকেই দামি কিছু মেশিন সেন্টারের অভ্যন্তরে রাখা হলেও বাকীগুলো পড়ে আছে খোলা আকাশের নিচে।
কাপড় উৎপাদক ও তাঁতীদের দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে মেশিনগুলো স্থাপন করা হোক।
ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত সময়ের মধ্যে মেশিনগুলো কাপড় প্রক্রিয়া উপযোগী করা হবে বলে জানান তাঁত বোর্ড কুষ্টিয়া সেন্টারের সহকারী মহা-ব্যবস্থাপক মো. মেহেদী হাসান।
তাঁত বোর্ডের কুষ্টিয়া সেন্টার এর তথ্য মতে, জেলায় নিবন্ধিত প্রাথমিক ১০৭টি তাঁতী সমিতি রয়েছে।
