আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
জ্বালানি তেল রফতানিতে রেকর্ড গড়েছে ইরাক। গত ৫০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তেল রফতানি করেছে দেশটি। আর এই রেকর্ড হয়েছে চলতি বছরের মার্চ মাসে। খবর আলজাজিরার।
মধ্যপ্রাচ্যের তেল সমৃদ্ধ দেশটির জ্বালানি বিয়ষক মন্ত্রণালয় শুক্রবার (০১ এপ্রিল) জানিয়েছে, এক মাসে ১০ কোটি ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল রফতানি হয়েছে। এর থেকে আয় হয়েছে প্রায় ১ হাজার ১০৭ কোটি ডলার। যা ১৯৭২ সালের পর সর্বোচ্চ।
ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের পর সরবরাহ ঘাটতির আশঙ্কায় তেলের আন্তর্জাতিক বাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম। ইতোমধ্যে ৪০ শতাংশ বেড়ে ১৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
মূল্য বৃদ্ধি ও উচ্চ চাহিদার মধ্যে তেলের উৎপাদন বাড়িয়েছে ইরাক। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসে দেশটির তেল রফতানির পরিমাণ ছিল ৩৩ লাখ ব্যারেল। রফতানি থেকে আয় হয়েছিল ৮৫০ কোটি ডলার। যা ছিল গত আট বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
কয়েক দশকের ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ-সংঘাত থেকে কেবল বের হয়ে এসেছে ইরাক। যুদ্ধ বিধ্বস্ত অবকাঠামো নতুন করে গড়ছে দেশটি। এর জন্য দরকার প্রভূত অর্থ। এই মুহূর্তে তেল রফতানি থেকে প্রাপ্ত অর্থই তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তেল উত্তোলন ও রফতানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ইরাক। বিশ্বের ৮০ শতাংশ প্রাকৃতিক তেলের (প্রুভেন ক্রুড অয়েল) মজুত রয়েছে সংস্থাটির দেশগুলোর কাছে।
তেল ও গ্যাসের ব্যাপক মজুত থাকা সত্ত্বেও ইরাক এখনও আমদানিনির্ভর। দেশটির গ্যাস ও বিদ্যুতের চাহিদার এক তৃতীয়াংশই পূরণ করে প্রতিবেশী ইরান। কিন্তু প্রায়ই সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় বা কমে যায়।
