বাণিজ্য ডেস্ক :
আগামী ৩১ ডিসেম্বরের পর সয়াবিন তেল বলে পাম তেল বিক্রি করা যাবে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ। তিনি বলেন, খোলা সয়াবিন বিক্রি বন্ধে শিগগিরই পদক্ষেপ নেয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের বাণিজ্য সচিব এ কথা জানান।
পাম তেল খোলা বাজারে পাওয়া যায় না, সয়াবিন তেল হিসেবে বিক্রি হয়ে থাকে, সেটা নিয়ন্ত্রণে কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তপন কান্তি ঘোষ বলেন, পাম তেল প্যাকেটে বিক্রি করা হবে না কি খোলা বিক্রি হবে, তা আইন অনুসারে শিল্প মন্ত্রণালয় দেখে থাকে।
চলতি বছরের ৩১ জুলাই থেকে বাজারে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি বন্ধ করার কথা ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেহেতু ওই সময়ে তেলের দাম অনেক বেশি ছিল। সেজন্য উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুসারে খোলা সয়াবিন বিক্রি বন্ধ করার পদক্ষেপ একটু পিছিয়ে দেয়া হয়। কারণ প্যাকেটজাত করতে একটু দাম বেশি পড়বে। তবে এখন যেহেতু দাম কমে যাচ্ছে, তাই কিছু দিনের মধ্যে কড়াকড়িভাবে এ পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে পারব। সেক্ষেত্রে সয়াবিন খোলা পাওয়া যাবে না।
পাম তেলের বিষয়ে তিনি বলেন, ৩১ ডিসেম্বর পর খোলা পাম তেলে বিক্রি করা যাবে না। আমরা দেখব এ সময়ের মধ্যে তা বাস্তবায়ন করা যায় কি না। তবে এ বিষয়টি শিল্প মন্ত্রণালয় দেখে।
৯টি পণ্যের দাম ট্যারিফ কমিশনের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে, সে বিষয়ে অগ্রগতি কি জানতে চাইলে তপন কান্তি ঘোষ বলেন, তার অংশ হিসেবে আজকে (৬ অক্টোবর) চিনি ও পাম তেলের মূল্য নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। রড ও সিমেন্টের দাম নিয়ে আলোচনা চলছে। এছাড়া চাল, আটাসহ অন্য সব পণ্য নিয়ে কৃষিপণ্য বিপণন আইন ২০১৮ রয়েছে। সে অনুযায়ী কৃষি মন্ত্রণালয়ের দাম নির্ধারণ করবে। সে বিষয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। ১৯৫৬ সালের আইন অনুযায়ী, পণ্যগুলোর দাম নির্ধারণের একটি ক্ষমতা রয়েছে সরকারের। কিন্তু ২০১৮ সালের আইনের এ ৯টি পণ্যসহ অন্যান্য পণ্যের দাম কৃষি মন্ত্রণালয় নির্ধারণ করবে। সে বিষয়ে আমাদের সমন্বয় করতে হবে।
