বাণিজ্য ডেস্ক :
দীর্ঘ দুই বছর বন্ধ থাকার পর হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীর যাতায়াত শুরু হয়েছে। করোনা মহামারির কারণে এই পথ দিয়ে যাতায়াত বন্ধ ছিল।
বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীর পারাপার কার্যক্রম শুরু হয়।
দীর্ঘ দুই বছর বন্ধ থাকার পর এ পথে যাত্রী যাতায়াত শুরু হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি বদিউজ্জামান জানান, ভারত কর্তৃপক্ষের অনুমতি পাওয়ায় পাসপোর্টধারী যাত্রীর যাতায়াত শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, করোনাকালে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গত বছরের ১৬ মে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের কার্যক্রম শুরু হয়। তবে শুধু ভারত থেকে যাত্রীরা বাংলাদেশে আসতে পারত। বাংলাদেশ থেকে ভারতে যেতে পারত না। আজ থেকে ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ যাত্রী গ্রহণ করায় দীর্ঘ দুই বছর পর এ পথ দিয়ে যাত্রী পারাপার শুরু হয়।
এখন থেকে পাসপোর্টধারী যাত্রীরা প্রতিদিন এ পথ ব্যবহার করে ভারত-বাংলাদেশে যাতায়াত করতে পারবেন বলে জানান তিনি।
ভারতে প্রবেশ করা পাসপোর্টধারী এক যাত্রী বলেন, করোনা মহামারির আগে চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলাম। এরপর করোনার কারণে দীর্ঘ দুই বছরের বেশি সময় ভারতে যাওয়া হয়নি। ডাক্তার দেখানোর জন্য ভারতে যাওয়ার প্রয়োজন হলে বেনাপোল বা আকাশপথে যেতে হতো। এতে সময় ও অর্থ বেশি লাগত।
আরেকজন পাসপোর্টধারী যাত্রী বলেন, ‘ভারতে চিকিৎসার পাশাপাশি আত্মীয়র বাড়িতে যাব। অনেক দিন পর যাচ্ছি, তাই বেশ লাগছে। এদিকে আজ নববর্ষ। ভারতে গিয়ে নববর্ষ উদ্যাপন করব।’
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২৩ মার্চ করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকার হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী যাতায়াত বন্ধ করে দেয়। করোনার সংক্রমণ কমে আসায় ১৪ মাস পর ২০২১ সালের ১৬ মে ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের কার্যক্রম শুরু হয়। তবে শুধু ভারত থেকে যাত্রীরা এই চেকপোস্ট ব্যবহার করে দেশে আসতে পারত। ভারতের অভ্যন্তরে সমস্যার কারণে এ পথ ব্যবহার করে বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়া যেত না।’
