জাতীয় ডেস্ক :
নিজেকে বিপুল সম্পদের অধিকারী দাবি করে পশ্চিমা দেশের নাগরিক পরিচয়ে হাইপ্রোফাইল ব্যক্তিদের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বন্ধুত্ব স্থাপন করে একটি চক্র।
সম্পর্কের একপর্যায়ে বাংলাদেশে থাকলেও এসব বিদেশিরা দেশের বাইরে থেকে দামি উপহার পাঠানোর কথা বলে চক্রের সদস্যরা। পরে বিদেশ থেকে আসা পার্সেল চার্জের নামে মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করে চক্রটি।
পার্সেলের চার্জ বাবদ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বড় অঙ্কের টাকা পাঠালেই বন্ধ করে দেওয়া হয় যোগাযোগ। এমন এক চক্রকে আটক করেছে র্যাব।
রাজধানীর ব্যবসায়ী মনির হোসেন। গত বছর ফেসবুকে বন্ধুত্ব হয় ইয়েমেনে থাকা মার্কিন সেনাসদস্য পরিচয়ধারী এক ব্যক্তির সঙ্গে। বন্ধুত্বের একপর্যায়ে উপহার পাঠাতে বলা হয় মনিরকে। এরপর কাস্টমস কর্মকর্তা পরিচয়ে পার্সেল চার্জ বাবদ নয় লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।
শুধু মনির নন, আরও অনেকেই প্রথমে বিদেশি নাগরিকদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে এমন প্রতারণার শিকায় হয়ে খুইয়েছেন অর্থ সম্পদ।
র্যাব বলছে, ৭ জন দক্ষিণ আফ্রিকা ও নাইজেরিয়ার নাগরিক এবং ২ বাংলাদেশিসহ ৯ প্রতারক কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এভাবে। তাদের কারো পাসপোর্টের মেয়াদ না থাকায় নেওয়া হবে ব্যবস্থা।
বুধবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানীতে র্যাব ৪-এর অধিনায়ক মোজাম্মেল হক বলেন, আটক সোনিয়া আক্তরের বক্তব্য অনুযায়ী ৩২ থেকে ৩৪টি এ ধরনের কাজ সে করেছে। প্রত্যেক ক্ষেত্রই কিন্তু টাকার পরিমাণ কম না। ৮-৯ লাখ টাকা থেকে শুরু করে ৩০, ৩২ লাখ টাকা এভাবে এক একবার হাতিয়েছে। প্রায় ২ কোটি টাকার কথা তারা স্বীকার করেছে।
রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে ৯ জনকে।
