হোম অন্যান্যসারাদেশ শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে সরকার বিরোধী বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও জামায়াত নেতা

নিজস্ব প্রতিনিধি :

শ্যামনগরে এক ব্যাক্তির নামাজে জানাজা অনুষ্ঠানে সবাই উপস্থিত হয়েছিলেন জানাযার নামাজ আদায়ের জন্য। তিনি শ্যামনগর উপজেলা জামাতের সাবেক আমীর আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল বারী ও শ্যামনগর উপজেলা পরিষদের তিনবার নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান। তার মৃত্যুতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও এলাকাবাসী দারুন ভাবে শোকাহত হন। গত ২ জুলাই শনিবার আসরের নামাজের পরে মাওলানা আব্দুল বারীর জানাজা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

জামাত নেতা আব্দুল বারীর জানাজা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আতাউল হক দোলন। জানাজার পূর্বে বিভিন্ন বক্তারা মাওলানা আব্দুল বারীর রাজনৈতিক জীবন ও কর্মকান্ড সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশংসাসূচক বক্তব্য দেন।ধারাবাহিক বক্তব্যের একপর্যায়ে বক্তব্য রাখেন শ্যামনগর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি কয়েক ডজন নাশকতা ও হত্যা মামলার আসামি মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ।

নামাজের জানাজা অনুষ্ঠানে বিএনপির সভাপতি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনা সহ সরকার বিরোধী বক্তব্য প্রদান করেন। জানাযার নামাজে সরকার বিরোধী বক্তব্য দিলেও উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক কে কোন প্রতিবাদ করতে দেখা যাইনি।রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ না করলেও বিভিন্ন জানাজা অনুষ্ঠানে বিএনপি ও জামায়াত এ ধরনের সরকার বিরোধী সেন্টিমেন্ট তুলে সাধারণ মানুষের সহানুভূতি নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে ।

শ্যামনগরের নুরনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা বাবু বলেন, নামাজে জানাজা অনুষ্ঠানে এ ধরনের রাজনৈতিক বক্তব্য উদ্দেশ্য প্রণোদিত। এ ব্যাপারে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আটুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি গাজী কামরুল ইসলাম বলেন,হঠাৎ করে প্রশাসনের জামাত বিএনপি’র উপর নজরদারি কমে গেছে। যে কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। শ্যামনগর সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি

আলহাজ্ব আকবর কবীর বলেন, আমি জানাজা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম বিভিন্ন বক্তারা মরহুম মাওলানা বারী সম্পর্কে সুন্দর বক্তব্য প্রদান করলেও শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রহমান এবং শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কয়েক ডজন নাশকতা ও হত্যা মামলার আসামি মাষ্টার আব্দুল ওয়াহেদ মৃত ব্যক্তির লাশ নিয়ে রাজনীতির আশ্রয় গ্রহণ করেছেন। এটি অবশ্যই ভীষণ নিন্দনীয়। জামাত নেতার মৃত্যু ও জানাজা অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ে সারাদিন শ্যামনগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যাপকভাবে ক্ষোভ প্রকাশ সহ অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন