বাণিজ্য ডেস্ক :
মেহেরপুরে গ্রীষ্মকালে চাষ হচ্ছে শীতকালের সবজি ফুলকপি ও বাঁধাকপি। বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় আবাদ বাড়াচ্ছেন চাষিরা। সেই সঙ্গে উৎপাদনও ভালো। আর এ ধারা অব্যাহত রাখতে কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।
গরমে শীতের সবজি। মেহেরপুরের ফসলের মাঠজুড়ে ফুলকপি ও বাঁধাকপির চাষ হচ্ছে।
এ জেলায় কয়েক বছর আগেই বছরজুড়ে ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষ পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয়েছে। কৃষকরা জানান, বিঘাপ্রতি ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে ৭০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত আয় হচ্ছে। বাজারে দাম ভালো পাওয়ায় অন্য কৃষকরাও উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন কপি চাষে। চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমের উৎপাদন এখন পর্যন্ত ভালো।
কৃষকরা জানান, এ বছর দাম কম। তবে তার সত্ত্বেও নিম্নে ১ লাখ টাকা ব্যবসা হবে। গ্রীষ্মকালে কপি চাষ করে লাভবান হওয়া যায়। তাই আমরা আবাদ করছি।
এদিকে কপি চাষে কৃষকদের পরামর্শ ও কারিগরি সহযোগিতা দিচ্ছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।
মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম বলেন, শীতকালে যেমন হয়, তেমনি গ্রীষ্মকালেও আমাদের এখানে বাঁধাকপি আবাদ করা হত। এখন ফুলকপি আবাদ করা হচ্ছে। কৃষি বিভাগ চেষ্টা করছে যেন কৃষক ফুলকপিসহ অন্যান্য সবজি আবাদ করে লাভবান হতে পারেন।
উল্লেখ্য, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের দেয়া তথ্যমতে, চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে মেহেরপুরের তিন উপজেলায় ৯২ হেক্টর জমিতে ফুলকপি ও বাঁধাকপির চাষ হচ্ছে।
