খেলাধূলা ডেস্ক :
বুয়েনোস আইরেসে সংবর্ধনা শেষে, হেলিকাপ্টারে চড়ে নিজ বাড়ি রোজারিওতে গেলেন আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। সঙ্গে ছিলেন মেসির সতীর্থ অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। রোজারিওতে মেসিকে বীরোচিত সংবর্ধনা দেয় সেখানকার মানুষ। নিজ এলাকার বাসিন্দাদের ভালোবাসা পেয়ে সিক্ত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন মেসি।
৩৬ বছরের আপেক্ষা ঘোচালেন যে নায়ক, বীর সংবর্ধনা দিয়েই তাকে বরণ করে নিলো আর্জেন্টাইনরা। ঠিক তিন তিন যুগ আগে দিয়েগো ম্যারাডোনার যাদুতে এমন উন্মাদনায় মেতেছিল আকাশি-নীলরা। তারই উত্তরসূরী লিওনেল মেসির হাত ধরেই এলো আর্জেন্টিনার তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা।
বিশ্বকাপ জয়ের পর কাতার থেকে দেশে ফিরেই বুয়েনোস আইরেসে ছাদখোলা বাসে করে জয় উদযাপন করেছে মেসি- ডি মারিয়ারা। তবে নিরাপত্তায় শঙ্কায় মাঝপথে স্থগিত হয়েছে ছাদখোলা বাসে করে মেসিদের কাতার বিশ্বকাপ জয় উদযাপন।
বুয়েনোস আইরেস থেকে প্রাইভেট জেটে চড়ে নিজ শহর রোজারিও বিমান বন্দরে পৌঁছান লিওনেল মেসি , আনহেল ডি মারিয়া। তাদের সঙ্গে ছিলেন পাশের প্রদেশ কার্ডোবার বাসিন্দা পাওলো দিবালা। সেখান থেকে একটি হেলিকাপ্টারে চড়ে নিজ বাড়িতে যান লিওনেল মেসি ও ডি মারিয়া। অন্যদিকে, রোজারিও থেকে নিজ শহর লেগুনা লার্গার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন আরেক আর্জেন্টাইন পাওলো দিবালা।
রোজারিওর বাড়ির পাশের একটি উন্মুক্ত স্থান থেকে গাড়িতে করে নিজ বাড়িতে যান মেসি। এই সময় তার স্ত্রী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জোকা গাড়ি চালাতে দেখা যায়। শুভেচ্ছা জানাতে মেসির বাড়ির সামনে জড়ো হয় শত শত সমর্থক। নেচে গেয়ে উল্লাস করেন তারা। উৎসবমুখর পরিবেশে বরণ করা হয় বিশ্বকাপ জয়ী এই তারকাকে। তবে সমর্থকদেরও হতাশ করেননি লিও। অনেকের সঙ্গে ছবি তুলতে দেখা যায় এই মহাতারাকাকে।
দীর্ঘ এক মাসের বিশ্বকাপ মহাযুদ্ধ শেষে নিজের শেকড়ে কিছু দিন বিশ্রামে কাটাবেন লিও। তারপর তাকে আবারো দেখা যাবে ফুটবল পায়ে স্বরুপে, মন্ত্রমুগ্ধকর জাদুতে।
