আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
কয়েকটি দেশ থেকে ফেসবুকে রুশ নাগরিক ও সেনাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রচারের সুযোগ দেওয়ার খবর সত্যি হলে রাশিয়ায় মেটা প্ল্যাটফর্মের তৎপরতা বন্ধ করে দেওয়া হবে। শুক্রবার (১১ মার্চ) ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এমন দাবি করেছেন।
এর আগে খবরে বলা হয়েছে, রাশিয়া ও দেশটির সেনাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রচার করা যাবে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মৃত্যু কামনায়ও থাকছে না বিধিনিষেধ। ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের পর কয়েকটি দেশের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীদের সেই অনুমোদন দিয়েছে মেটা প্ল্যাটফর্ম।
বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এমন খবর দিয়েছে। মেটা প্ল্যাটফর্মের একটি অভ্যন্তরীণ ইমেইলের বরাত দেওয়া হয়েছে এতে। এর মধ্য দিয়ে সামাজিক মাধ্যম কোম্পানিটি তাদের বিদ্বেষ প্রচার নীতিতে অস্থায়ী পরিবর্তন এনেছে।
রাশিয়া, ইউক্রেন ও পোল্যান্ডের মতো দেশগুলোয় পুতিন ও বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর মৃত্যু কামনাও করা যাবে। অর্থাৎ, সহিংসতা ও উসকানি নীতিতে পরিবর্তন এনে অস্থায়ীভাবে ব্যবহারকারীদের রাশিয়াবিরোধী ঘৃণা প্রচারের সুযোগ দিচ্ছে মেটা।
ইউক্রেন আগ্রাসন নিয়ে কোনো পোস্ট দিলে সেখানে রাশিয়ার নাগরিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতার প্রচার করা যাবে। মেটা বলছে, রুশ সেনাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা উসকে দেওয়া যাবে। কারণ, তারা রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর ছায়া হিসেবে কাজ করছে। কিন্তু যুদ্ধবন্দিদের ক্ষেত্রে এই নীতি কার্যকর হবে না।
পেসকভ বলেন, ‘আমরা রয়টার্সের খবর বিশ্বাস করতে চাই না। এমন খবর বিশ্বাস করা কঠিন। আমাদের প্রত্যাশা, এই খবর সত্য যেন না হয়। এর অর্থ হচ্ছে, তাহলে আমাদের অনেক চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিয়ে রাশিয়ায় মেটার সব কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে হবে।’
