হোম জাতীয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে পেছাচ্ছে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন!

জাতীয় ডেস্ক :

চলতি বছরের জুনে দেশের দক্ষিণ জনপদের মানুষের স্বপ্নের পদ্মা সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার কথা বলেছিলেন সরকারের মন্ত্রী-সচিবরা। তবে বুধবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে বছরের শেষ নাগাদ পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন কেন পিছিয়ে যাচ্ছে, তার একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন পিছিয়ে যাচ্ছে।

বুধবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার নির্ধারিত সময়সীমা রয়েছে ডিসেম্বর পর্যন্ত। কিন্তু আগামী ৩০ জুনের মধ্যেই পদ্মা সেতু খুলে দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে পদ্মা সেতুর বেশ কিছু যন্ত্রপাতি আসতে দেরি হচ্ছে। তা ছাড়া পদ্মা সেতুর জন্য এমন অনেক মালামাল রয়েছে, যা একটি বা দুটি দেশ তৈরি করে। এ কারণে দেরি বা আরও কিছু সময় লাগতে পারে। এমন বিবেচনা থেকেই জুনের পরিবর্তে ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তবে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেই বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান তিনি।

এর আগে, জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তরে নওগাঁ-২ আসনের শহীদুজ্জমান সরকারের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মূল সেতুর ভৌত অগ্রগতি ৯৬ দশমিক ৫০ শতাংশ। বর্তমানে সেতুতে কার্পেটিং, ভায়াডাক্ট কাপের্টিং, ওয়াটারপ্রুফ মেমব্রেন, মূল সেতু ও ভায়াডাক্টের মুভমেন্ট জয়েন্ট, ল্যাম্পপোস্ট, অ্যালুমিনিয়াম রেলিং, গ্যাসের পাইপলাইন, ৪০০ কেভিএ বিদ্যুৎ এবং রেললাইন নির্মাণের কাজ চলমান। ২০২২ সালের শেষ নাগাদ পদ্মা সেতু চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার জন্য কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয় ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা বলে তিনি জানান।

 

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন