হোম জাতীয় রাজধানীর ঘরে ঘরে জ্বর-ঠান্ডা-সর্দি-কাশি

জাতীয় ডেস্ক :

কেউ ভুগছেন করোনায়, কেউ ঠান্ডা জ্বরে। বেশি ভোগাচ্ছে শিশুদের। এমন সমস্যা রাজধানীর ঘরে ঘরে। যদিও কোভিডের উপসর্গ এবার অন্যবারের তুলনায় বেশিরভাগেরই দেখা যাচ্ছে মৃদু। সেক্ষেত্রে লক্ষণ-উপসর্গ দেখামাত্রই পরীক্ষার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।

রাজধানীর উত্তরার একটি স্কুল শিক্ষার্থী সাবিহা সুলতানা। সপ্তাহখানেক ধরে ভুগছেন ঠান্ডা-জ্বরে। এর মধ্যে আবার তার ছোট বোন ১০ মাস বয়সী সায়রা সুলতানারও দেখা দিয়েছে একই সমস্যা। যার কারণে বন্ধ করে দিতে হয়েছে স্কুলে যাওয়া।

শিশুদের মা জানালেন, তাদের জ্বর, সর্দি, মাথা ব্যথা রয়েছে কয়েকদিন ধরে। ফলে স্কুলে পাঠানো বন্ধ রেখেছি।

৩ বছর বয়সী স্বপ্নীল কিংবা আনাসের অভিভাবকদের উদ্বেগের কারণও মৌসুমি এই ঠান্ডা-জ্বর। জানালেন, আশেপাশের বাসাবাড়িগুলোতেও অনেকেই ভুগছেন একই সমস্যায়।

শিশুটির বাবা জানালেন, গত ৩ সপ্তাহ আগে সর্দি এবং কাশি হয়েছে। সর্দিটা চলে গেছে। তবে কাশিটা এখনো যায়নি।

এদিকে পাল্লা দিয়ে সংক্রমণ বাড়ায় চাপ পড়ছে কোভিডের নমুনা পরীক্ষায়। যদিও যারা আসছেন নমুনা দিতে তাদের প্রায় সবারই মৃদু উপসর্গ।

হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগের ঢেউগুলোর তুলনায় এবার উপসর্গ মৃদু থাকার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে জনগোষ্ঠীর বড় অংশকেই টিকার আওতায় আনা।

তবে এক্ষেত্রে উদাসীন না হওয়ার তাগিদ দিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বর-সর্দি-কাশির মতো লক্ষণ দেখা দিলেই করাতে হবে কোভিড পরীক্ষা। এক্ষেত্রে যে কোনো ধরনের অবহেলা হতে পরিবারের অন্য সদস্য, বিশেষ করে বয়স্কদের জন্য ঝুঁকির কারণ।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন