খেলাধূলা ডেস্ক :
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চট্টগ্রাম পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ব্যাট করতে নেমে রংপুর রাইডার্সের বোলারদের দাপটে নাস্তানাবুদ হয়েছে খুলনা টাইগার্স। রবিউল-রাকিবুলদের আক্রমণে তারা গুটিয়ে গেছে মাত্র ১৩০ রানেই।
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে (১৩ জানুয়ারি) রংপুরের হয়ে বল হাতে চমক দেখিয়েছেন রবিউল হক। ২২ রান খরচায় তিনি তুলে নিয়েছেন খুলনার ৪ উইকেট। দুটি করে উইকেট পেয়েছেন রাকিবুল হাসান, হাসান মাহমুদ ও আজমাতুল্লাহ ওমরযাই।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই রংপুর রাইডার্সের বোলারদের রোষানলে পড়ে খুলনা টাইগার্সের ব্যাটাররা। মাত্র ১৮ রান তুলতেই তিন টপ অর্ডার ব্যাটারকে হারিয়ে বসে তারা। ৪ বলে মাত্র ১ রান করে অভিজ্ঞ ওপেনার তামিম ইকবাল ক্যাচ তুলে দেন বোলার আজমাতুল্লাহ ওমরজাইয়ের হাতে।
শারজিল খান হাত খুল খেলার চেষ্টা করলেও ওমরজাইয়ের সুইয়ে কাবু হয়ে তাকে সাজঘরে ফিরে যেতে হয়। বোল্ড হওয়ার আগে এক চার ও এক ছক্কায় তিনি ১২ রান করেন। দেখেশুনে উইকেট ধরে রাখার চেষ্টায় থাকা ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহানকে বোল্ড করেন রাকিবুল হাসান। ১১ বলে তিনি মাত্র ৪ রান করেন। চাপে পড়া দলকে লড়াইয়ে ফেরাতে চতুর্থ উইকেটে ইয়াসির আলীকে নিয়ে জুটি গড়ে তোলেন আজম খান। তাদের ৫৮ রানের জুটি এসে ভাঙেন রবিউল হক।
এ পেসার তার একই ওভারে ইয়াসিরের পাশাপাশি তুলে নেন সাব্বির রহমানের উইকেটও। ২২ বলে ২ ছক্কার মারে ২৫ রান করেন ইয়াসির। সাব্বির আউট হন ২ বলে ১ রান করে। তাদের বিদায়ের পর সাজঘরের পথ ধরেন আজম খানও। গত ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান আউট হন ২৩ বলে ৪ চার ও এক ছক্কায় ৩৪ রান করে। ৮০ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকেই একপ্রকার ছিটকে পড়ে খুলনা।
সপ্তম উইকেটে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন টাইগার অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। অষ্টম উইকেটে তাকে সঙ্গ দিয়ে ৯ বলে এক ছক্কায় ১৫ রান করেন নাহিদুল ইসলাম। তাকে ১৮তম ওভারে এসে ইয়র্কার বলে বোল্ড করেন হাসান মাহমুদ। দলীয় ১২৫ রানে বিদায় নেন সাইফুদ্দিনও। ১৮ বলে ২ চারের মারে তিনি করেন ২২ রান। শেষ পর্যন্ত ১৯.৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে তাদের ইনিংস থামে ১৩০ রানে।
