আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
পরমাণু চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারলে ইরানে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমন চোখ রাঙানির মধ্যেই তৃতীয় দফায় বৈঠকে বসেছে ওয়াশিংটন ও তেহরান।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই আলোচনা শুরু হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক শক্তি মোতায়েন করেছে। অন্যদিকে ইরানও অঙ্গীকার করেছে, যেকোনো হামলার জবাবে তারা শক্তি প্রয়োগ করবে। পাল্টাপাল্টি এসব পদক্ষেপের মধ্যেই দুইপক্ষ আলোচনার টেবিলে বসেছে। সেজন্য বৃহস্পতিবারের আলোচনাকে সংঘাত এড়ানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা এখনো অস্পষ্ট।
এদিকে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওয়াশিংটনে তার স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আবারও তেহরানের প্রতি যুদ্ধাত্মক সুরে কথা বলেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘কূটনীতির মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা আমার পছন্দ। কিন্তু একটা বিষয় নিশ্চিত, আমি কখনই বিশ্বের এক নম্বর ‘সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক দেশকে’, পারমাণবিক অস্ত্র ধারণ করতে দেব না।’
তবে নতুন করে বসা আলোচনায় ট্রাম্প ঠিক কী দাবি করছেন এবং কেন এখন সামরিক পদক্ষেপের প্রয়োজন হতে পারে, সে সম্পর্কে তিনি খুব বেশি ব্যাখ্যা দেননি।
ইরান তাদের ভূখণ্ডে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি বন্ধ করার ব্যাপারে মার্কিন দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। তবে তারা পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে এবারের বৈঠকে কিছুটা ছাড় দিতে প্রস্তুত বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
