হোম খুলনাবাগেরহাট মোংলায় তিন শতাধিক হিন্দু-খ্রীস্টানের বিএনপিতে যোগদান 

মোংলায় তিন শতাধিক হিন্দু-খ্রীস্টানের বিএনপিতে যোগদান 

কর্তৃক Editor
০ মন্তব্য 36 ভিউজ
জসিম উদ্দিন:
মোংলায় ৩ শতাধিক হিন্দু-খ্রীস্টান ধর্মের লোকজন ধানের শীষ প্রতীকে সমর্থন জানিয়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। রবিবার রাত ৮টার দিকে পৌর শহরের হোটেল টাইগারে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীস্টান কল্যান ফ্রন্ট ধানের শীষ প্রতীকের এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ধানের শীষ প্রতীকের এ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট-০৩ আসনের (মোংলা-রামপাল) বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম। এ সভায় উপস্থিত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৩ শতাধিক নারী-পুরুষ ধানের শীষ প্রতীকে সমর্থন জানিয়ে লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলামের হাতে হাত রেখে বিএনপিতে যোগদেন। পরে লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম তাদেরকে সাদরে গ্রহণ করেন এবং শুভেচ্ছা জানান।
এ সময় হিন্দু-খ্রীস্টান নারী-পুরুষেরা বলেন, আমরা বিগত সময়ে অন্য রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত থাকলেও বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতি আমরা বিএনপিতে যোগ দিয়েছে। এর আগে আমরা যে দলে ছিলাম তারা শুধু আমাদের ব্যবহার করেছে, আর সংখ্যালঘু তকমা লাগিয়ে আমাদেরকে বিভাজন করে রেখেছিল। কিন্তু বিগত ৫ আগস্টের পর থেকে বিএনপি আমাদেরকে সর্বাত্মক সহায়তা ও নিরাপত্তা দিয়েছে। তার প্রেক্ষিতেই আমরা আজ ধানের শীষের বহরে সামিল হয়েছি এবং বিএনপিতে যোগ দিয়েছি। আমরা জাতীয় নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলামের কাছে শুধু নিরাপত্তা চাই, আর কিছুনা।
এ সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আঃ মান্নান হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির তালুকদার ও হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রীস্টান কল্যান ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সুব্রত মজুমদার।
সদ্য বিএনপিতে যোগদান করা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজনের নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়ে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের মোংলা-রামপালের প্রার্থী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, তাদের জন্য শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। আর তারা কেউই সংখ্যালঘু নয়, সংখ্যালঘু বলতে কিছু নেই, এটা বিগত সময়ে একটি গোষ্ঠীর তমকা মাত্র। সংখ্যালঘু তকমা দিয়ে তাদেরকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল। বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে সংংখ্যালঘু নামক তকমা আর থাকবেনা। কারণ সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষ এদেশেরই নাগরিক। সকলেরই সমান অধিকার রয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমি নির্বাচিত হলে এ এলাকার হিন্দু-খ্রীস্টান ও বৌদ্ধ ধর্মের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো, এবং সর্বদা পাশে থাকবো। কেউ তাদের উপর কোন অত্যাচার-নির্যাতন ও দখলবাজী করতে পারবেনা। #
Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন