শ্যামনগর প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মৃত ব্যাক্তীর নামে জেলে বাওয়ালিদের উত্তোলনকৃত চাউল আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, মুন্সিগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান কাশেম মোড়লকে ভুল তথ্য দিয়ে ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতি জলিল নিজ এলাকার এক বছর আগে মারা যাওয়া মৃত পশুপতি পরমান্যর নামে থাকা সরকারের দেওয়া জেলে বাওয়ালি কার্ডের ৫৬ কেজি চাউল তুলে নিয়ে আত্মসাৎ করেন। কচুখালী গ্রামের পশুপতি পরমান্যের ছেলে কৃষ্ণপদ পরমান্যে জানান, আমার বাবার কার্ড থেকে চাউল তুলে নিয়েছে এলাকার ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জলিল কাগজী৷ ১৭/০৩/২০২০ তারিখে কার্ডের ৫৬ কেজি চাউল মুন্সীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মোড়লকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এর জলিল কাগজী আমার বাবা পশুপতি পরমান্যের লোক সাজিয়ে অন্য লোকদের মাধ্যমে টিপ সই দিয়ে চাউল উঠিয়ে নেন। এছাড়া এক বছর আগে মৃত ব্যক্তির নামে কি ভাবে কার্ডে চাউল উঠে এইসব প্রশ্ন সাধারণ মানুষের। অসহায় জীবিত মানুষ কার্ড পাইনা, অথচ মৃত ব্যক্তির কার্ড বহাল তবিয়তে, তার পরও সেই কার্ডের চাউল আত্মসাৎ! ঘটনা জানা জানির পর ইউপি সদস্য শনিবাার সকালে ইউনিয়ন পরিষদে আত্মসাৎকৃত চাল ফিরিয়ে দেন। এই বিষয়ে ইউপি সদস্য জলিল কাগজী জানান, আমি নিজে ওই চাউল নেয় নি, আমার এলাকার একজন গরীবকে দিয়েছি। আমি শনিবার পরিষদে যেয়ে চাউল ফেরত দিয়েছি । ইউপি চেয়ারম্যান কাশেম মোড়ল জানান, ইউপি সদস্য জলিল চাউল নিয়েছে সত্যি, তবে তিনি চাউল ইউনিয়ন পরিষদে চাাউল ফেরত দিয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলাা নির্বাহী কর্মকর্তা আনম আবুজাার গিফারী বলেন, তালিকা পাঠানোোর আগে মৃত ব্যক্তিি ও স্থানান্তর ব্যক্তিদের বাদ দেয়ার কথা ছিল কিন্তু তা না করে যদিি ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের নাম রাখে আর যদি চাল উত্তোলন করে তাহলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ধরণের প্রতারণামূলক ইউপি সদস্যের বিচারের দাবি জানান জনসাধার।
