আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মিকোলাইভে গোলা হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। এতে ২ জন নিহত এবং অন্তত ২৪ জন আহত হয়েছেন।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, দক্ষিণাঞ্চল নিজেদের দখলে নিতে এগিয়ে যাচ্ছে তার সেনারা। খেরসনের কাছাকাছি রুশ সেনাদের গড়া প্রতিরোধ ভাঙতে ইউক্রেনের সেনারা সক্ষম হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে এ দাবি অস্বীকার করেছে মস্কো। খবর আল জাজিরার।
রাশিয়ার হামলায় মিকোলাইভে অনেক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গোলার আঘাতে গুঁড়িয়ে গেছে। ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই মিকোলাইভ হামলার শিকার হয়ে আসছে। তবে দক্ষিণাঞ্চলের দখলকৃত সব অঞ্চল ফিরিয়ে আনা হবে– কিয়েভের এমন ঘোষণার পর থেকে হামলা জোরদার করেছে মস্কো। মিকোলাইভের দক্ষিণ-পূর্বের খেরসনেও হামলা আগের চেয়ে আরও বাড়িয়েছে রাশিয়া।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও বলছেন দক্ষিণাঞ্চল নিজেদের দখলে নিতে এগিয়ে যাচ্ছে তার সেনারা। খেরসনের কাছাকাছি রুশ সেনাদের গড়া প্রতিরোধ ভাঙতে ইউক্রেনের সেনারা সক্ষম হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। ইউক্রেনীয় বাহিনী শিগগিরই রুশ বাহিনীকে সীমান্তের ওপারে হটিয়ে দেবে বলেও মন্তব্য করেন জেলেনস্কি।
তবে রুশ বাহিনী এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, ইউক্রেনীয় সেনারা হামলার চেষ্টা করলেও পারেনি। উল্টো তাদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি মস্কোর। যদিও দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি এ দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি সংবাদমাধ্যম।
এদিকে, রুশ বাহিনীর দখলে থাকা ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়া পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র দুই বাহিনীর লড়াইয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। অনেকদিন ধরেই সেখান থেকে রুশ সেনাদের সরিয়ে নেয়ার দাবি করে আসছে কিয়েভ। গোলাবর্ষণের মধ্যেই পরমাণু কেন্দ্রটি পরিদর্শন করবেন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা আইএইএ’র প্রতিনিধিরা। প্রতিনিধি দলকে ঢোকার অনুমতি আগেই দিয়েছিল রাশিয়া। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এবার আইএইএর প্রতিনিধিরা কিয়েভ পৌঁছেছেন।
