হোম অন্যান্যসারাদেশ মণিরামপুরে নকল বিড়িতে সয়লাব কাস্টমসের ১৩ শ’ প্যাকেট উদ্ধার

মণিরামপুরে নকল বিড়িতে সয়লাব কাস্টমসের ১৩ শ’ প্যাকেট উদ্ধার

কর্তৃক
০ মন্তব্য 173 ভিউজ

রিপন হোসেন সাজু, মণিরামপুর (যশোর) :
মণিরামপুরে প্রায় প্রতিটি হাট বাজারে নকল ব্যান্ডরোল ও ব্যান্ডরোল বিহীন বিড়িতে সয়লাব হয়ে গেছে। কর্তৃপক্ষের চোখ ফাঁকি দিয়ে কিছু অসাধু বিড়ি প্রস্তুতকারক এসব অবৈধ ব্যবসা করে লুটে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। আর এ ফলে সরকার হারাচ্ছে কোটি টাকার রাজস্ব।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মণিরামপুর উপজেলার রোহিতা, কাশিমনগর, ভোজগাতি, ঢাকুরিয়া, হরিদাসকাটি, মণিরামপুর সদর, খেদাপাড়া, হরিহরনগর, ঝাঁপা, মশ্বিমনগর, চালুয়াহাটি, শ্যামকুড়, খানপুর, দূর্বাডাঙ্গা, কুলটিয়া, নেহালপুর, মনোহরপুর ও পৌরসভাসহ ১৭টি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানের বাজারে বিক্রি হচ্ছে নকল ব্যান্ডরোল ও ব্যান্ডরোলবিহীন বিড়ি। এসব বাজার গুলোতে পাখী বিড়ি, কাজল বিড়ি, করিম বিড়ি, রুপালী বিড়ি, সেলিম বিড়ি ও মনির বিড়িসহ বিভিন্ন নামের বিড়ি বিক্রি হচ্ছে।

এমনকি গত ৯ আগস্ট মণিরামপুর উপজেলার ঘিবা গ্রামে যশোর কাস্টমস এক্্রাইজ ও ভ্যাট বিভাগ একটি অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় তারা একটি ঘর থেকে ৯২৫ প্যাকেট রুপালী ও ৪২০ প্যাকেট মনির বিড়ির নকল ব্যান্ডলরোল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় যশোর কাস্টমস এক্্রাইজ ও ভ্যাট বিভাগ রুপালী বিড়ির প্রস্তুতকারক জাকির হোসেন ও মনির বিড়ির প্রস্তুতকারক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভ্যাট আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে যশোর কাস্টমস এক্্রাইজ ও ভ্যাট বিভাগের কর্মকর্তা সাকেল আহম্মেদ জানান, তারা কথিত সেলস ম্যান দিয়ে বিভিন্ন অখ্যাত প্রস্তুতকারক এসব বিড়ি নীতিমালার তোয়াক্কা না করে তাদের বিড়ি বাজারজাত করে আসছে বলে প্রতিষ্ঠান ভ্যাট দেয়া কোম্পানির অভিযোগ। আর এসব নকল ও অনুমোদনহীন বিড়ি খেলে স্বাস্থ্যের চরম ঝুঁকি আছে। তাছাড়া এসমস্ত অখ্যাত প্রস্তুতকারক বিড়ি যেমন রয়েছে চরম স্বাস্থ ঝুঁকি তেমনি সরকার হারাচ্ছে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব। সচেতন মহল ভোক্তা অধিকার সংগঠন গুলোকে এদের বিরুদ্ধে কঠোর ভাবে আইন প্রয়োগের দাবি করেছেন।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন