হোম জাতীয় ভারতে বাংলাদেশের ওষুধ, বিষয়টি খতিয়ে দেখব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক :

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বাংলাদেশ থেকে দেওয়া ওষুধের উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ না থাকার অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলছে বাংলাদেশের সরকারি ওষুধ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেছেন, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই ওষুধ নিয়েছে ভারত। এ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। এদিকে, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতে যখন সংক্রমণ ও মৃত্যুর গ্রাফ আশঙ্কাজনক, ঠিক তখন বাংলাদেশ সরকার সিদ্ধান্ত নেয় করোনার মৃদু উপসর্গের রোগীদের চিকিৎসার জরুরি ওষুধ ডক্সিসাইক্লিন ক্যাপসুলসহ জীবন রক্ষাকারী বেশ কয়েক রকমের ওষুধ পাঠানোর। সে অনুযায়ী গত বছরের মে মাসে ভারতকে ওষুধগুলো উপহার হিসেবে দেয় বাংলাদেশ, যা ধাপে ধাপে দেশটির বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে মঙ্গলবার ভারতের দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা ওষুধ নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রচার করে।

বিষয়টি নিয়ে সোমবার ওষুধ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাসেনসিয়াল ড্রাগসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক এহসানুল কবির জগলুল জানান, বন্ধুপ্রতিম দেশ হিসেবে ভারতে মহামারি মোকাবিলায় সাহায্যের উদ্দেশ্যে এসব ওষুধ পাঠানো হয়েছে।

ভারত সরকার যথাযথ নিয়ম মেনেই গ্রহণ করেছে ওষুধগুলো। উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ না থাকার ভিত্তিহীন অভিযোগ দুঃখজনক। এ নিয়ে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারের কোনো অবকাশ নেই।

এদিকে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সময় সংবাদকে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বর্তমানে দেশের চাহিদার ৯৮ শতাংশ পূরণ করে বিশ্বের ১৬০টিরও বেশি দেশে ওষুধ রফতানি করছে বাংলাদেশ। আর স্বল্পোন্নত ৪৮ দেশের মধ্যে ওষুধ উৎপাদনে শীর্ষে অবস্থান করছে বাংলাদেশ।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন