হোম খেলাধুলা বিশ্বকাপের আগে আফগানিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ

খেলাধূলা ডেস্ক :

এশিয়া কাপে ব্যর্থ বাংলাদেশ এখন ঘুরে দাঁড়াতে চায়। ভয়ডরহীন নতুন ব্র্যান্ডের ক্রিকেট খেলতে চায় টাইগাররা। নতুন সেই বাংলাদেশ বিশ্বকাপের আগে পাচ্ছে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে আরও একটা সুযোগ। বিশ্বকাপের আগে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ত্রিদেশীয় সিরিজ ছাড়াও টাইগাররা খেলবে দুটো অফিশিয়াল প্রস্তুতি ম্যাচ।

১৬ অক্টোবর থেকে মাঠে গড়াচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আইসিসির এই মেগা ইভেন্ট প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে। এবারের আসরে বাংলাদেশ সরাসরি খেলবে আসরের মূলপর্বে। সুপার টোয়েলভে গ্রুপ-২-তে থাকা বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ২৪ অক্টোবর। প্রথম রাউন্ডে গ্রুপ-এ রানার্সআপের বিপক্ষে লড়বে বাংলাদেশ।

বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডকে নিয়ে আয়োজিত হবে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সেই সিরিজের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৪ অক্টোবর।

বিশ্বকাপের আগে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে নিজেদের মানিয়ে নিতে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলবে টাইগাররা। আইসিসির অফিশিয়াল প্রস্তুতি ম্যাচে ১৭ অক্টোবর আফগানিস্তান ও ১৯ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। দুটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে গ্যাবায়।

এদিকে বাংলাদেশ দলের টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন মনে করেন, হারতে হারতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে টাইগারদের। টি-টোয়েন্টিতে এর চেয়ে খারাপ করা সম্ভব নয়। এখান থেকে এবার তাই ঘুরে দাঁড়ানোর পালা।

এই সাবেক অলরাউন্ডার বলেন, ”আমরা অনেক নিচে এখন। এর চেয়ে নিচে যাওয়ার জায়গা নেই আমাদের। আমরা এখন জিততে চাই। আমি মনে করি, আমরা বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নও হতে পারি। কিন্তু ওই রাস্তাটা সহজ হবে না।’

সে লক্ষ্যেই নতুন করে পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে আবার। তবে, মূলমন্ত্র থাকছে আগেরটাই। ভয়ডরহীন সাহসী ক্রিকেট। যেখানে প্রথম বলে মারতে গিয়ে কেউ আউট হলে থাকবে না কোনো ভর্ৎসনা; বরং পিঠ চাপড়ে দেয়া হবে ইনটেন্টের জন্য। এ জন্যই এবারের ক্যাম্পটা হবে যে কোনোবারের চেয়ে একটু ভিন্ন। গতানুগতিক ফিটনেস আর স্কিল ট্রেনিংয়ে সময়ক্ষেপণ না করে, ব্যক্তিগত দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়া হবে ক্রিকেটারদের।

খালেদ মাহমুদ বলেন, ‘নির্দিষ্ট রোলের অনুশীলন হবে। যাদের যে রোল–ব্যাটসম্যানরা কখন কী করবে অথবা ফাস্ট বোলাররা কখন কোন বল করবে, তাই বুঝিয়ে দেয়া হবে।’

ডমিঙ্গো গিয়েছেন শ্রীধরন এসেছেন, কিন্তু সমালোচকদের কাছে খুব বেশি পয়েন্ট পাচ্ছে না এ অদল-বদল। তবে, টিম ম্যানেজমেন্ট রীতিমতো মুগ্ধ টেকনিক্যাল কনসালটেন্টের কাজকর্মে।

খালেদ মাহমুদ বলেন, ‘ও (শ্রীধরন) যেভাবে চিন্তা করে, যেভাবে ছেলেদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চায় তা আমি পছন্দ করেছি।’
বিশ্বকাপের দল ঘোষণার শেষ তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর। এর মধ্যেই দল ঘোষণা দেবে বাংলাদেশও। কিন্তু টিমের সঙ্গে নেই অধিনায়ক। যদিও, তাতে কোনো সমস্যা দেখছেন না টিম ডিরেক্টর।

সুজন বলেন, ‘সাকিব সিপিএল খেলতে গিয়েছে এবং তার সঙ্গে আমরা দুবাইতেই একটা মিটিং করেছি। আর সাকিবের প্রয়োজন পড়লে আমরা ভিডিও মিটিংও করতে পারব।’

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন