আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট চলছে। এতে উগ্র ডানপন্থী মেরিন ল্য পেনের বিরুদ্ধে লড়তে হচ্ছে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে।
নির্বাচনে এ দুজন ছাড়াও আরও ১২ প্রার্থী রয়েছেন। দুসপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় জয়ী হয়ে তাদের একজনকে ক্ষমতায় যেতে হবে। এবারের নির্বাচন ইউরোপীয় দেশটিতে ব্যাপক অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।-খবর বিবিসির
জনমত জরিপ বলছে, ম্যাঁক্রোর সঙ্গে ল্য পেনের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। স্থানীয় সময় রোববার (১০ এপ্রিল) দুপুরে কর্মকর্তারা বলছেন, ২৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। যা ২০১৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চেয়ে তিন পয়েন্ট কম।
ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারে আলাদা উত্তাপ দিয়েছেন উগ্রপন্থী ল্য পেন। দুই দফা ভোটে ১২ প্রার্থীদের মধ্যে একজনকে নেতা হিসেবে বেছে নিতে হবে চার কোটি ৯০ লাখ ভোটারকে। এতে ম্যাঁক্রো ও ল্য পেনের মধ্যেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু চার ঘণ্টার ভোটে কেবল এক চতুর্থাংশ ভোটার অংশ নিয়েছেন। যা গেল দুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে কম।
করোনা মহামারির জন্য নির্বাচনী প্রচার ব্যাঘাত ঘটেছে। এরই মধ্যে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের পর তাতে আরও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। প্রচারে খুবই কম সময় দিতে পেরেছেন ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো। তাকে মূলত ইউক্রেনে অভিযান ঘিরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন পদক্ষেপেই বেশি নজর দিতে হয়েছে।
তবে নির্বাচনে আরও একটি ইস্যু প্রাধান্য বিস্তার করেছে। তা হচ্ছে, জ্বালানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধি। ২০১৭ সালে ম্যাক্রোঁ যখন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতায় আসেন, তখন তিনি ভোটারদের পুরনো আনুগত্য শেষ করে দিয়েছেন। তার নতুন দলকে ভোটাররা বিপুল ব্যবধায়ে জয়ী করেছে। বড় দলগুলো এখন নিজেদের ক্ষত সারতেই বেশি ব্যস্ত।
ভোটারদের কাছে আস্থা স্থাপনের জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন সোস্যালিস্ট প্রার্থী অ্যান্নে হিডালগো। ভ্যালেরি পেক্রিসেও খুব একটা রিপাবলিকানদের জাগিয়ে তুলতে পারেননি। ফ্রান্সের মূল ভূখণ্ডে ভোট শুরু হয় স্থানীয় সময় সকাল ৮টায়। আর প্যারিস, লিয়ন ও মারসেইলিসহ বড় শহরগুলোতে স্থানীয় সময় রাত ৮টায় ভোট শেষ হয়।
