আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
আবারো আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিল হামলা। হোয়াইট হাউসে সংরক্ষিত সে সময়কার নথিপত্র তদন্ত কমিটির কাছে জমা না দিতে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন ওয়াশিংটনের একটি আদালত।
একইসঙ্গে এ ঘটনায় শুনানির জন্য ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠদের ডাকা হবে বলেও জানানো হয়। এদিকে হামলার আগেরদিনই টুইটার কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন ব্রিটিশ রাজপুত্র হ্যারি।
চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি মার্কিন কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটল হিলে নজিরবিহীন হামলা চালায় তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা।
নির্বাচনে জয়ী জো বাইডেনকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদনের জন্য ক্যাপিটল হিলে আইপ্রণেতারা জড়ো হলে ট্রাম্পের পরাজয় ঠেকাতে সেখানে ঢুকে তাণ্ডব চালান শত শত ট্রাম্প সমর্থক। ইতিহাসের ন্যাক্কারজনক ওই হামলায় প্রাণ হারান এক পুলিশসহ অন্তত ৫ জন।
এ ঘটনার পর নিজ দেশের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন ট্রাম্প। সমর্থকদের উসকানি দেওয়ার অভিযোগে তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ফেসবুক টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো।
ওই ঘটনা নিয়ে এবার নতুন তথ্য দিলেন ব্রিটিশ রাজপুত্র হ্যারি। এক ভিডিও কনফারেন্সে তিনি জানান, ৫ জানুয়ারি রাতেই ক্যাপিটল হিলে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে টুইটারের প্রধান নির্বাহীকে সতর্ক করেছিলেন তিনি। যদিও তখন ট্রাম্পের টুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
ধারণা করা হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রাম্পের উসকানিমূলক পোস্টের কারণেই তার পরাজয় ঠেকাতে সেসময় ক্যাপিটল হিলের সামনে জড়ো হয়েছিলেন ট্রাম্প সমর্থকরা।
মঙ্গলবার ওয়াশিংটনের একটি আদালতে পুনরায় ওই হামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হলে, এতে, হোয়াইট হাউজে থাকা সেসময়কার নথিপত্র তদন্ত কমিটির কাছে না দিতে ট্রাম্পের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন আদালতের বিচারক।
উল্টো দ্রুত তা তদন্ত কমিটির কাছে হস্তান্তরের নির্দেশও দেওয়া হয়। একইসঙ্গে হামলার বিষয়ে শুনানিতে অংশ নিতে ট্রাম্পের আরও বেশ কয়েকজন ঘনিষ্টজনকে ডাকা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এদিকে হামলায় অংশ নেওয়া এক ট্রাম্প সমর্থক বেলারুশে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
