ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি :
বাগেরহাটের ফকিরহাটের মূলঘর সাকিনা আজহার টেকনিক্যাল কলেজের তিন শিক্ষার্থীকে ব্রেড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে কলেজ থেকে বহিস্কারের দাবী জানান শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২০ জুন) বেলা ১১টায় মূলঘর সাকিনা আজহার টেকনিক্যাল কলেজের সামনে শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বহিস্কারের দাবী দাবী জানান।
এসময় শিক্ষার্থী জিদনি শেখ, রাকিবুল হক, লিঠু হাওলাদার, রাব্বি শেখসহ বিভিন্ন শিক্ষার্থী জানান, নাছির সরদার পরীক্ষায় নকল করছিল। বিষয়টি শিক্ষকদের জানালে ক্ষীপ্ত হয়ে এসব শিক্ষার্থীকে ব্লেড দিয়ে আঘাত করে গুরুত্বর আহত করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) হাসেম আলী জানান, পূর্বশত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে তদন্ত সাপেক্ষে এর আসল রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।
এদিকে আহত শিক্ষার্থী জয়ন্ত রাহার বাবা সুভাষ কান্তি রাহা বাদী হয়ে ঘটনার দিন রাতে নাছির সরদারকে অভিযুক্ত করে ফকিরহাট মডেল থানায় একটি মামলা করেন।
পুলিশ জানায়, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাকিনা আজহার টেকনিক্যাল কলেজের পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা বাড়ী ফেরার পথে নাছির সরদার নামে অপর এক শিক্ষার্থী পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ব্রেড দিয়ে তিন শিক্ষার্থীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে।
এ ঘটনায় পুলিশ একই কলেজের ছাত্র নাছির সরদার (১৭) কে আটক করে। কলেজের অদূরে মূলঘর ইউনিয়নের শান্তিগঞ্জ মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলো-ওই কলেজের বিএম শাখার একাদশ শ্রেণির ছাত্র জাকারিয়া হাওলাদার (১৭), জয়ন্ত রাহা (১৭) ও একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নবম শ্রেণির ছাত্র মুসা আব্দুল্লাহ (১৬)। তাদের মধ্যে জাকারিয়া ও জয়ন্তকে খুমেকে পাঠানো হয়েছে। তারা মূলঘর এলাকার বাসিন্দা। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সাকিনা আজহার টেকনিক্যাল কলেজের অদূরে মূলঘর ইউনিয়নের শান্তিগঞ্জ মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
ফকিরহাট মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মু. আলীমুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। আটক অভিযুক্ত নাছির সরদারকে মঙ্গলবার সকালে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমেকারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তধিন রয়েছে।
