হোম অন্যান্যসারাদেশ নড়াইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী এড. সুবাস চন্দ্র বোস নির্বাচিত

নড়াইল অফিস :

উৎসব মুখর পরিবেশের মধ্যে দিয়ে সোমবার ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদ নির্বাচন শেষ হয়েছে। সুষ্ট সুন্দরভাবে ভোট গ্রহন শেষে ফলাফল ঘোষনা করা হয়। বেসরকারী ফলাফলে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী এড. সুবাস চন্দ্র বোস ২৬০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী মোটর সাইকেল মার্কার প্রার্থী সৈয়দ ফযজুল আমির লিটু পেয়েছেন ১৭৮ ভোট আর অন্য প্রার্থী শেখ সুলতান মাহমুদ বিপ্লব পেয়েছেন ১১৩ ভোট। ৫৫২ জন ভোটারের মধ্যে ৫৫১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ২ স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে ভোট পেয়েছেন ২৯১ আর আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী পেয়েছেন ২৬০ ভোট।

নড়াইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে, মোট ৪ টি কেন্দ্রে সকাল ৯ টা হতে দুপুর ২ টা পর্যন্ত বিরতীহীন ভাবে ভোট গ্রহন চলে। কালিয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে, নড়াইল সদরের জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ও লোহাগড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে, মোট জেলার ৩টি স্থানে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন পরিচালনায় সিসি ক্যমেরা থাকায় ও ইভিএভে ভোট দিতে পেরে ভোটাররা খুশি। ভোটাররা মনে করছেন এরফলে নিরপেক্ষ ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়েছে। তবে কেন্দ্রের আসে পাশে আওয়ামীলীগ সমার্থিত প্রার্থীর পক্ষে ব্যাপক শোডাউন করতে দেখা গেছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পক্ষে কাউকে শোডাউন করতে দেখা যাইনি।

নির্বাচনে সংরক্ষিত ০১আসনে শাহিনুর আক্তার রুমা এবং এবং সংরক্ষিত-০২ হতে নির্বাচিত হয়েছেন জেসমিন নাহার । এছাড়া ৩ উপজেলার ৩ জন নির্বাচিত সদস্য হলেন নড়াইল সদরে খোকন সাহা,লোহাগড়া থেকে শামসুল আলম কচি এবং কালিয়া থেকে খান শাহিন সাজ্জাদ নির্বাচিত হয়েছেন।

এদিকে সকালে ভোট শুরু হবার পরে বিছালী ইউপি চেয়ারম্যান ১৩ জন ভোটার সহ শিল্পকলা একাডেমীর ভোট কক্ষে প্রবেশ করে অন্য ভোটারদের ভোট প্রদানে হস্তক্ষেপ করেন। এসকল বিষয় সাংবাদিকদের নজরে আসলে পুলিশ সুপার ক্ষিপ্ত হয়ে কর্তব্যরত পুলিশের উপর হুমকী দেন,পরে বের হবার সময় সাংবাদিকের উদ্দেশ্য করে বলেন,সাংবাদিকরা কেন্দ্রের বাইরে অবস্থান নিয়ে ভোট পর্যবেক্ষন করবে। এই ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকেরা পুলিশ সুপার সাদিরা খাতুন এর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি দ্রæত কেন্দ্র ত্যাগ করেন।

জেলা প্রশাসক ও রিটানিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান এর সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলে তিনি জানান,এমন ঘটনা আর ঘটবে না। এরপর ঘটলে সাংবাদিকরা যেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কে অবগত করেন।

১৫ অক্টোবর রাত সোয়া দশটায় কালিয়া পৌরসভায় নড়াইল-১ আসনের এমপি কবিরুল হক মুক্তির নেতৃত্বে সদস্য প্রার্থীর গাড়ি ভাংচুরের অভিযোগে ১৬ অক্টোবর কালিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে কালিয়া পৌর মেয়র ওয়াহিদুজ্জামান হীরা। এদিকে ১৬ অক্টোবর দিনভর আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটু র নড়াইল শহরের বাড়ি ঘিরে রাখে ছাত্রলীগ ও আ.লীগের কর্মীবৃন্দ। তারা লিটু কে বাড়ি থেকে বের হতে এবং বাইরে থেকে কাউকে লিটুর বাড়ি ঢুকতে দেয়নি বলে লিটুর পক্ষ থেকে অভিযোগ রয়েছে। তবে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী এড. সুবাস চন্দ্র বোস এ সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন