নড়াইল অফিস :
নড়াইল জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান নিলরু বিরুদ্ধে মনোনয়ন বানিজ্যে, অন্যের জমি দখল,মদের ব্যবসাসহ নানা অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নড়াইল -১ আসনের সংসদ কবিরুল হক মুক্তি।
১৭ অক্টোবর রোববার বেলা ১১ টায় কালিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসকল অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, নড়াইল জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান নিলু ও কালিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম হারুন অর রশিদ এবং সাধারন সম্পাদক কৃষ্ণপদ ঘোষ বিভিন্ন ইউনিয়নের নৌকা প্রত্যাশিদের কাছ থেকে মনোনয়ন বানিজ্যে করেছেন।
তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন ,নড়াইলের ইউনিয়নের গুলোতে আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মিদের দলীয় মনোনয়ন না দিয়ে অর্থের বিনিময়ে বিএনপি-জামায়াতের লোকদের নৌকা দিয়েছেন। কালিয়াতেও একই ভাবে আওয়ামীলীগের লোকদের বাদ রেখে অর্থের বিনিময়ে মনোনয়ন দেয়ার চেষ্টা করছেন। এবং জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদকের মদের ব্যবসা আছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তিনি সাংবাদিকদের মাধ্যমে নিজাম উদ্দিন খান নিলুর আয়ের উৎস কি জানতে চান এবং কিভাবে তিনি বিলাশ বহুল জীবনযাপন করেন।
মনোনয়ন বানিজ্য থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের মুক্তি পেতে এমপি মুক্তি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দাবি রেখে বলেন, নড়াইলের কালিয়া উপজেলার ১২ ইউনিয়নে তৃতীয়ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হবে। যেহেতু কোন বিরোধীদল নেই তাই এসব ইউনিয়নে দলীয় প্রতিক না দিয়ে উন্মুক্তভাবে নির্বাচন করার আহবান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন. বীর মুক্তিযোদ্ধা মোল্যা এমদাদুল ইসলাম, কালিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র এমদাদুল হক টুলু, কালিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র একরামুল হক টুকু, সাবেক মেয়র ফকির মুশফিকুর রহমান লিটন, কালিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইব্রাহীম শেখ, কালিয়া উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক খান রবিউল ইসলাম, যুগ্ম-আহ্বায়ক আশিষ কুমার ভট্টাচার্য্যসহ দলীয় নেতৃবন্দ ।
জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান নিলু তার বিরুদ্ধে আনা এ সকল অভিযোগ অস্বিকার করেন । তিনি বলেন সংসদ সদস্য কবিরুল হক মুক্তি ভিত্তিহীন কাল্পনিক ও মনগড়া অভিযোগ করেছেন। দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা মনোনয় পত্র স্বাক্ষর করে থাকেন। শুধুমাত্র দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশিদের একটি তালিকা আমরা প্রেরন করে থাকি জেলা সভাপতি-সম্পাদক ও উপজেলার সভাপতি-সম্পাদক যৌথ স্বাক্ষরে। মনোনয়নের ব্যাপারে এখানে আমাদের কোন ভূমিকা নেই।
